Anubrata Mondal: অনুব্রত মণ্ডলের দেওয়া মেডিক্যাল সার্টিফিকেটের বৈধতা বিতর্ক, শুরু বিভাগীয় তদন্ত
Anubrata Mondal News: পুলিশের তলবে দুবার হাজিরা এড়িয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল! ঢাল মেডিক্য়াল সার্টিফিকেট! আর যিনি এই সার্টিফিকেট দিয়েছেন সেই চিকিৎসককে নিয়ে রহস্য় ক্রমেই বাড়ছে

পার্থপ্রতিম ঘোষ, ভাস্কর মুখোপাধ্য়ায়, উজ্জল মুখোপাধ্য়ায়, কলকাতা: বোলপুর থানার আইসিকে গালিগালাজের পর পুলিশি তলব এড়াতে যে মেডিক্য়াল সার্টিফিকেট জমা দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক। যে চিকিৎসক এই সার্টিফিকেট দিয়েছেন তিনি BMOH! অথচ তাঁর দেওয়া মেডিক্য়াল সার্টিফিকেটে লেখা শান্তিনিকেতন মেডিক্য়াল কলেজ অ্য়ান্ড হাসপাতাল। বিভাগীয় তদন্ত করছে শান্তিনিকেতন মেডিক্য়াল কলেজ হাসপাতাল।
পুলিশের তলবে দুবার হাজিরা এড়িয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল! ঢাল মেডিক্য়াল সার্টিফিকেট! আর যিনি এই সার্টিফিকেট দিয়েছেন সেই চিকিৎসককে নিয়ে রহস্য় ক্রমেই বাড়ছে। চিকিৎসক হিটলার চৌধুরী! BMOH...ব্লক মেডিক্য়াল অফিসার অফ হেলথ! অর্থাৎ সরকারি চিকিৎসক। অথচ তিনি যে মেডিক্য়াল সার্টিফিকেট অনুব্রত মণ্ডলকে ইস্য়ু করেছেন তাতে লেখা শান্তিনিকেতন মেডিক্য়াল কলেজ অ্য়ান্ড হাসপাতাল।
নিয়ম বলছে একজন BMOH কখনও কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত হতে পারেন না! আবার কাহানি মে ট্য়ুইস্ট হল...হিটলার চৌধুরী কীভাবে মেডিক্য়াল সার্টিফিকেট ইস্য়ু করতে পারেন, তা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে বেসরকারি মেডিক্য়াল কলেজ কর্তৃপক্ষ। শান্তিনিকেতন মেডিক্য়াল কলেজের কর্ণধার মলয় পিট বলছেন, 'আমরা ডিপার্টমেন্টকে জানতে চেয়েছিলাম বিষয়টি কী? এই ধরণের কথা শুনছি। আজকে দেখলাম ওঁরা একটা নোটিফিকেশন করেছেন। ওঁরা তদন্ত করছেন। তারপর ওঁরা রিপোর্ট দেবেন। আমি স্য়রকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম এরকম বিতর্ক আসছে, স্য়রের বক্তব্য হচ্ছে সমস্তটা নিয়মমাফিক হয়েছে।'
এদিকে অনুব্রত মণ্ডলকে পুলিশ এখনও জিজ্ঞাসাবাদটুকু না করায় বিরোধীদের আক্রমণও ক্রমেই জোরাল হচ্ছে। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলছেন, 'অনুব্রত তো একটা খাস লোক। সেই বগটুই কাণ্ড থেকে আমরা দেখছি। কেন্দ্রের এজেন্সি হোক বা রাজ্যের পুলিশ হোক কেউই ধারেকাছে তাঁর যাবে না। পুলিশ দলদাস করলে কী হয় তাঁর নমুনা তো বোলপুর থানার আইসি।' প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর চৌধুরী বলছেন, 'পুলিশ কী করবে? দিদি যতক্ষণ না নির্দেশ দেবে, পুলিশের ক্ষমতা আছে? পুলিশের বাবার ক্ষমতা আছে কিছু করবে? যতক্ষণ না দিদি নির্দেশ না দেবে।'
পাল্টা জবাব দিয়েছে তৃণমূলও। কিন্তু অনুব্রত মণ্ডলকে মেডিক্য়াল সার্টিফিকেট দেওয়া চিকিৎসকের এখনও অবধি কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। তাঁর কোনও প্রতিক্রিয়াও পাওয়া যায়নি।
অন্যদিকে, বোলপুর থানার IC-কে কদর্য ভাষায় হুমকি দিয়েছিলেন অনুব্রত মণ্ডল। আর সেই হুমকি দেখানোয় পুলিশের চিঠি পেল এবিপি আনন্দ। ৬ দিনেও অনুব্রত অধরা। তবু নিষ্ক্রিয় বলায় আপত্তি পুলিশের। ৬ দিন পেরিয়ে গেলেও, তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদটুকু করা হয়নি। অথচ, এবিপি আনন্দ সেই অডিও ক্লিপ কেন বারবার দেখাচ্ছে, পুলিশের ভূমিকা নিয়ে কেন প্রশ্ন তুলছে, তা নিয়ে আপত্তি তুলে এবিপি আনন্দর সম্পাদক সুমন দে-কে দু'পাতার চিঠি পাঠাল পুলিশ।






















