Trinamool Congress: ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয় পর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্রের পদ ছাড়তে চেয়ে চিঠি অরূপ চক্রবর্তীর
Arup Chakraborty: পদত্যাগের জন্য নিজের ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন অরূপ চক্রবর্তী।

কলকাতা: ভোটে তৃণমূলের বিপর্যয় পর এবার তৃণমূল কংগ্রেসের (Trinamool Congress) মুখপাত্রের পদ ছাড়তে চেয়ে চিঠি অরূপ চক্রবর্তীর (Arup Chakraborty)। পদত্যাগের জন্য নিজের ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছেন অরূপ চক্রবর্তী। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মুখপাত্রপদের দায়িত্ব থেকে মুক্ত করতে তৃণমূলের কাছে আবেদন অরূপের।
গতকালই কলকাতা পুরসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। এবার দলের মুখপাত্রের পদ ছাড়তে চেয়ে চিঠি দিয়েছেন তিনি।
পদ ছাড়ার পরেই গতকাল অরূপ প্রশ্ন তুলেছিলেন দল বলতে কারা? দলের খারাপ ফলের পর কোথায় গেলেন সেইসব 'কেষ্টবিষ্টু'রা ? দলের একাংশের দিকে আঙুল তুলে অরূপের সোজাসুজি প্রশ্ন, কোথায় গেলেন এক্স-ওয়াই ক্যাটিগরির নিরাপত্তা পাওয়া হেভিওয়েটরা? অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে তিনি বললেন, যখন দলের বহু কর্মীরা ঘরছাড়া, তখন কোথায় গেলেন দলের সেইসব হেভিওয়েটরা, যাঁদের কনভয়ের আগে পিছে ৫-৬ টা গাড়ি থাকত?
অরূপের কথায়, 'এই রেজিগনেশন শুধুমাত্র একটা পদ-ছাড়া নয়, একটা প্রতীকী মানসিক অবস্থান। অরূপের স্পষ্ট বক্তব্য, জনাদেশকে মেনে নিতে হবে। ২০২৬ এ হেরে গিয়েছি সেটা যদি মানতে না-পারি, তাহলে ২১শে আমাদের বিপুল জয়টা মিথ্যে হয়ে যায়। তাহলে ২০১৬ র জয় টা মিথ্যে হয়ে যায়, ২০১১ র জয়টা মিথ্যে হয়ে যায়। গণতন্ত্রে মানুষের উপরে কেউ নেই। তৃণমূলের মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তীর মেনে নিচ্ছেন, সারাজীবন কেউ ক্ষমতায় থাকবে না। সেটা হতে পারে না। কিন্তু যখন দলের কর্মীরা বিপদে তখন কেষ্টবিষ্টু নেতৃত্ব কোথায়? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যখন রবীন্দ্র জয়ন্তীর অনুষ্ঠান হচ্ছে তখন সেই সেলিব্রিটি নেতৃত্ব কোথায়? তাদের দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না কেন?'
অপরদিকে আবার দলকে কাঠগড়ায় তুলে এবার জাতীয় মুখপাত্র পদ ছাড়লেন শান্তনু সেনও। দলীয় পদ ছাড়তে চেয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি পাঠালেন। আর জি কর হাসপাতালে দুর্নীতি, অভয়াকাণ্ড, চাকরি বিক্রি-সহ বিভিন্ন দুর্নীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে দিলেন চিঠি। 'কোনওভাবে মন এগুলোকে মানতে সম্মতি দিচ্ছে না', চিঠিতে ইস্তফার কারণ ব্যাখ্যা করলেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ।
ইতিমধ্যেই মমতার কাছে শান্তনুর পদত্যাগপত্র পৌঁছে গিয়েছে। চিঠিতে শান্তনু জানিয়েছেন, মানুষের রায়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় ফিরেছে বিজেপি। মানুষের সেই রায় মাথা পেতে নিতেই দলের পদ থেকে ইস্তফা দিচ্ছেন। মমতা যাতে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন, সেই মতো আর্জি জানিয়েছেন শান্তনু। একদিন আগেই মুখ খুলেছিলেন শান্তনু। আর জি কর কাণ্ডের পরই দলের নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন শান্তনু। কিন্তু দল তাঁর কথা শোনেনি বলে জানিয়েছিলেন তিনি।





















