New Market Fire: ''মধ্যরাতে হঠাৎ মহিলাদের চিৎকার, দরজা খুলতেই দেখি...', ভয়াবহ অভিজ্ঞতা নিউ মার্কেটের হোটেলের আবাসিকের!
New Market Fire News: হোটেলের সরু সরু গলি, ছোট ছোট ঘর... ছিল না কোনও এমার্জেন্টি এক্সিট.. এগুলিই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে

কলকাতা: একটাই বিল্ডিং, অনেক হোটেল। ভিতরে সরু সরু গলি। ছিল না কোনও ফায়ার এস্টিংগুইশর বা অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা! আগুন লাগার ফলে, বন্ধ হয়ে গিয়েছিল লিফট। আগুনের শিখা দেখা না গেলেও, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা হোটেল, এর ফলে, ওই সরু গলি পেরিয়ে, বেরনোর পথ খুঁজে, বেরিয়ে আসা সম্ভব ছিল না আবাসিকদের মধ্যে! নিউ মার্কেটের হোটেলের অগ্নিকাণ্ডের পরিস্থিতির কথা শুনলে শিউরে উঠতে হচ্ছে। রাত পৌনে ২টো নাগাদ, ফ্রি-স্কুল স্ট্রিটের একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে যায়। এই হোটেলের একেবারে ঢিল ছোঁড়া দূরেই রয়েছে দমকলের সদর দফতর। দমকলের সদর দফতর থেকেই প্রথমে ধোঁয়া দেখে তড়িঘড়ি সেই জায়গায় পৌঁছে যাওয়া হয়। ল্যাডার লাগিয়ে অনেককে উদ্ধার ও করা হয়। তবে সবাইকে রক্ষা করা গেল না। মৃত্যু হল ৯ জনের।
ধোঁয়ায় ঢেকেছে গোটা হোটেল, ভয়াবহ অভিজ্ঞতা প্রত্যক্ষদর্শীদের
এই হোটেলের একাধিক ফ্লোরে রয়েছে একাধিক হোটেল, সেখানেই ছিলেন আবাসিকেরা। যে ফ্লোরে আগুন লাগে, সেই হোটেলের নাম ছিল, শিখা ইন। আগুন লাগার সময়ে যাঁরা হোটেলে ছিলেন, তাঁরা জানাচ্ছেন, মধ্যরাতে সবাই ঘুমাচ্ছিলেন। দমকল সূত্রে প্রাথমিক খবর, ইলেকট্রিক স্যুইচ থেকেই এই আগুন লাগে। আবাসিকেরা বলছেন, আগুন লাগার ফলে, ধোঁয়ায় ঢেকে যায় হোটেল, কিন্তু বেরনোর পথ পাওয়া যায়নি। এক আবাসিক বলছেন, 'রাত ২টো নাগাদ ২ জন মহিলার আর্তনাদ শুনতে পাই। দরজা খুলতেই দেখি প্রচণ্ড ধোঁয়া, কিছুই দেখা যাচ্ছিল না।' আরেক আবাসিক বলছেন, 'ধোঁয়ায় কিছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। দমকল না এলে, উদ্ধার হওয়া সম্ভব ছিল না। হোটেলে বেরনোর রাস্তা একটাই। দিশেহারা যখন, তখনই দমকল কর্মীরা এসে উদ্ধার করলেন, ওঁরা না এলে নিজেরা সিঁড়ি দিয়ে নেমে আসা সম্ভব ছিল না।'
হোটেলে ছিল না পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপণ, নিরাপত্তা, ফায়ার এক্সিট
হোটেলের সরু সরু গলি, ছোট ছোট ঘর... ছিল না কোনও এমার্জেন্টি এক্সিট.. এগুলিই মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেহেতু মধ্যরাতে আগুন লেগেছে, সেই কারণে অধিকাংশ বাসিন্দারাই ঘুমন্ত অবস্থায় ছিলেন। হোটেলে ছিল না কোনও অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ফলে আগুন নেভানোর কোনও চেষ্টাই করা যায়নি। হোটেলের সরু গলি, অতি সংকীর্ণ বেরনোর রাস্তাই প্রাণঘাতী হয়ে দাঁড়িয়েছে এমনটাই মনে করা হচ্ছে। আগুন ভয়াবহ না হলেও, ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে বাসিন্দাদের মৃত্যু হয়েছে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে।






















