Ballygunge Science College: 'আমি তালা বন্ধ করিনি, মেন্টাল সাপোর্ট দিয়েছি,' মন্তব্য বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজের অভিযুক্তের
Kolkata News: বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজে ভুগোল বিভাগের মূল দরজা এবং বিভাগীয় প্রধানের অফিসও তালা দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ।

কলকাতা: বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজে ভুগোল বিভাগে অধ্যাপক-পড়ুয়াদের আটকে রাখার অভিযোগ। রীতিমতো চাবি ছিনতাই করে বিভাগে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। যদিও অভিযুক্ত TMCP নেতা সজল মণ্ডল তা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, 'পড়ুয়ারাই তালি ঝুলিয়েছিলেন। তিনি শুধুমাত্র মেন্টাল সাপোর্ট দিয়েছেন।'
বালিগঞ্জ সায়েন্স কলেজে ভুগোল বিভাগের মূল দরজা এবং বিভাগীয় প্রধানের অফিসও তালা দিয়ে আটকে রাখার অভিযোগ। বুধবার বিকেল ৪টে থেকে ৬টা পর্যন্ত প্রায় দু ঘণ্টা বিভাগীয় প্রধানকে আটকে রাখা হয়। যদিও যাবতীয় দায় অস্বীকার করেছেন তৃণমূল ছাত্র পরিষদের নেতা সজল মণ্ডল। তাঁর কথায়, "গতকাল ওঁদের পরীক্ষার ফর্ম ফিল আপ ছিল। সেই সময় ডিপার্টমেন্টে বেশিকভাগই শিক্ষকই ছিলেন না। আমার কাছে এসে বলেন দাদা আমাদের ফর্ম ফিল আপ করতে দিচ্ছে না। আমাকে বলল দাদা তুমি একটু চলো। এবার ৪০ জন ছাত্র, কাঁদছে, ভয়ে আছে গেস্ট ফ্যাকাল্টির বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে বলে ফর্ম ফিল আপ আটকেছে। কোন আইনে এঁদের ফর্ম ফিল আপ আটকায়। আমি তালা বন্ধ করিনি। আমি ওঁদের কোনও নেতৃত্ব দিইনি। মেন্টাল সাপোর্ট দিয়েছি। আমি অভিযোগ অস্বীকার করছি।''
ঘটনা কী?
১৩ জুন এই ৪০ জন একজন অধ্যাপকের বিরুদ্ধে নালিশ করেন রেজিস্ট্রারের কাছে। বারবার বিভাগীয় প্রধান এবং রেজিস্ট্রারের তরফে সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চাওয়া হয় কখন শিক্ষকের বিরুদ্ধে তাঁদের নালিশ। কিন্তু ওই ৪০ জন তা রেজিস্ট্রারকে স্পষ্ট করে বলেননি। এরপরই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়। তার ফলস্বরূপ গতকাল তাঁরা ফর্ম ফিলাপ করতে গেলে বারণ করা হয়। ওই ৪০ জন সজল মণ্ডলকে ডাকেন। যিনি ভুগোল বিভাগের রিসার্চ স্কলার এবং TMCP নেতা। অভিযোগ, ওই ৪০ জনকে সঙ্গে নিয়ে রীতিমতো চাবি ছিনতাই করে প্রথমে ভুগোল বিভাগে তালা লাগিয়ে দেন সজল মণ্ডল। সেখানে নিজেও উপস্থিত ছিলেন বিভাগীয় প্রধান সুমনা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাইরে এসে বিভাগের কলাপসেবল গেটের তালা দিয়ে দেন। ভেতরে আটকে ছিলেন বিভাগীয় প্রধান এবং অন্যান্য পড়ুয়ারা। ভুগোলের বিভাগীয় প্রধান সুমনা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, "কিছু ছাত্রকে রেজিস্ট্রার ডেকেছিলেন। কিন্তু ওঁরা সেখানে যাননি। রেজিস্ট্রার ৪০ জনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ওঁদের বলা হয়েছিল একটা চিঠি দিয়ে তারপর ওঁরা ফর্ম ফিল আপ করতে পারে। ওই ৪০ জন বাকি ১০০ জনকে আটকায়, আমাদের নাহলে ওঁদেরও ফর্ম ফিল আপ হবে না। সজল মণ্ডল আমাদের বিভাগেরই রিসার্চ স্কলার। ওঁরা এখানে এসে বাকিদের ফর্ম ফিল আপ করাটা আটকানোর চেষ্টা করেন।''






















