Bankura: ICDS কর্মীর রহস্যমৃত্যু, বাড়ির উঠোন থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ
স্বামী-ছেলে কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল সন্ধেয় মাকে ফোনে না পেয়ে প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নেন ভারতীর মেয়ে।

পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া: বাঁকুড়ার ইন্দপুরে ICDS কর্মীর রহস্যমৃত্যু। বাড়ির উঠোন থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ। খুন বলেই অনুমান পুলিশের। মৃতের নাম ভারতী গোস্বামী। ইন্দপুরের বাড়িতে একাই থাকতেন বছর একান্নর ICDS কর্মী। স্বামী-ছেলে কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, গতকাল সন্ধেয় মাকে ফোনে না পেয়ে প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নেন ভারতীর মেয়ে। স্থানীয়রা বাড়িতে গিয়ে ICDS কর্মীকে রক্তাক্ত অবস্থায় উঠোনে পড়ে থাকতে দেখেন।
বাঁকুড়ার ইন্দপুরে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে খুনের অভিযোগ। সুদের কারবার নিয়ে বচসার জেরে খুন বলে সন্দেহ মৃতের পরিবারের। টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদের জেরে খুন? না কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বাড়ির উঠোনে পড়ে রক্তাক্ত দেহ। বাঁকুড়ার ইন্দপুরের বৃন্দাবনপুর গ্রামে খুন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী। মৃতের নাম ভারতী গোস্বামী (৫১) স্থানীয় সূত্রে খবর, স্বামী, ছেলে কর্মসূত্রে কলকাতায় থাকেন। গ্রামের বাড়িতে একাই থাকতেন ওঅ ICDS কর্মী। মঙ্গলবার মাকে ফোনে না পেয়ে প্রতিবেশীদের খবর নিতে বলেন তাঁর ছেলে। তখনই বিষয়টি জানাজানি হয়। দেখা যায়, বাড়ির উঠোনে পড়ে রয়েছে রক্তাক্ত দেহ। প্রতিবেশী সুদর্শন গোস্বামীর কথায়,কাকিমা একাই থাকতেন। গ্রামে সবার সঙ্গে মেলামেশা ছিল। সঠিক তদন্ত হোক। দেখে মনে হয়েছে কারও একার কাজ নয়। অনেক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে খুনের মোটিভ মৃতের পরিবারের দাবি, ICDS সেন্টারে কাজের পাশাপাশি সুদের কারবার চালাতেন ভারতী। তার জেরেই খুন বলে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন মৃতের আত্মীয়রা। মৃতের ছেলে সন্দীপ গোস্বামীর কথায়, মা সুদের ব্যবসা করত। টাকা ধার দিত। টাকা দেওয়া-নেওয়া নিয়ে অশান্তির জন্যই খুন বলে মনে হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে,মহিলার মাথায় ভারী বস্তু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত বিবাদ? নাকি অন্য কোনও কারণে খুন, খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এন্টালিতে তরুণী খুন: (Entally) তরুণীকে গলা কেটে নৃশংস খুনের ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিহার থেকে ২ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। এফআইআরে (FIR) নাম ছিল ধৃত প্রেম রায় ও মুন্না রায়ের। গতকাল রাতে বিহারের (Bihar) দ্বারভাঙা জেলার তারিয়ানি এলাকা থেকে দুই অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়। ধৃতদের কলকাতায় আনা হচ্ছে। খুনের মোটিভ নিয়ে এখনও ধন্দে পুলিশ। বিহারের মধুবনি থেকে চিকিৎসা করাতে কলকাতায় আসেন ১৮ বছরের অঞ্জলি কুমারী। সোমবার এন্টালি থানার শিয়ালদা স্টেশন সংলগ্ন রেলের একটি পরিত্যক্ত কোয়ার্টার থেকে তাঁর গলা কাটা দেহ উদ্ধার হয়।






















