Bankura News: পুকুর সংস্কার ঘিরে তুলকালাম, পেট্রোল ঢেলে ভাইকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টায় অভিযুক্ত আর এক ভাই, পুলিশ নামল এলাকায়
Kotulpur News: পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী।

কোতুলপুর: পুকুর কাটা নিয়ে পারিবারিক বিবাদ। আর তার জেরে প্রাণহানির জোগাড়। পাঁচ শরিকের মধ্যে জমি বিবাদকে ঘিরে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁকুড়ার কোতুলপুরে। গায়ে পেট্রোল ঢেলে তুতো ভাইকে পুড়িয়ে মারা অভিযোগ উঠল সেখানে। ঘটনার পর অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। অগ্নিসংযোগও করা হয় বাড়িতে। গোটা ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে মোতায়েন করা হয়েছে বিরাট পুলিশ বাহিনী। (Bankura News)
বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর থানার অন্তর্গত রঘুনাথপুর দক্ষিণ পাড়ায় এই ঘটনা ঘটেছে। সেখানে একটি পুকুরে অংশ রয়েছে পাঁচ শরিকের। কিছু দিন আগে সকলে মিলে পুকুরটি সংস্কার করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই মতো রবিবার সকাল থেকে পুকুর সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুকুর সংস্কারের কাজ শুরু হওয়ার আগে বেঁকে বসেন ফরিদুর রহমান নামের এক শরিক। পুকুর সংস্কারে সম্মতি নেই বলে জানিয়ে দেন। তাঁর সম্মতি ছাড়া যে সংস্কাররে কাজ করা যাবে না, তাও জানিয়ে দেন। (Kotulpur News)
এর পরই ফরিদুরের সঙ্গে ঝামেলা বাধে তুতো ভাই হাসিবুল রহমান ভুঁইয়ার। কথা কাটাকাটি ক্রমশ হাতাহাতির আকার নেয়। এর পর বিবাদ কার্যত সংঘর্ষের আকার নেয়। ফরিদুর এলাকায় মুদিখাার দোকান চালান। ঝামেলা চলাকালীন হঠাৎ দোকানে ঢুকে যান তিনি। সেখান থেকে পেট্রোল বের করে এনে হাসিবুরের গায়ে ঢেলে দেন এবং হাসিবুরের গায়ে আগুনও ধরিয়ে দেন বলে অভিযোগ। বেআইনি ভাবে মুদিখানার দোকানে ফরিদুর পেট্রোল বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ হাসিবুরের পরিবারের।
কেউ কিছু বুঝে ওঠার আগেই হাসিবুরের গায়ে আগুন ধরিয়ে দেন ফরিদুর। গুরুতর আহত অবস্থায় হাসিবুরকে কোতুলপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয় আরও। ফলে আরামবাগ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় তাঁকে। সেখানে এই মুহূর্তে চিকিৎসাধীন রয়েছেন হাসিবুর। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক বলেই জানা গিয়েছে। চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন হাসিবুর।
এই গোটা ঘটনায় ফরিদুরের উপর কার্যত ফুঁসছেন স্থানীয়রা। জানা গিয়েছে, হাসিবুরকে হাসপাতালে পাঠানোর পর উত্তেজিত গ্রামবাসীরা ফরিদুরের বাড়িতে চড়াও হন। ফরিদুরের বাড়ি এবং দোকানে ভাঙচুর চালান তাঁরা। ভাঙচুর চালানো হয় দোকানে। সমস্ত জিনিসপত্র ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। খবর পেয়ে গ্রামে পৌঁছয় পুলিশ। এই মুহূর্তে বাঁকুরা জেলা পুলিশের বাহিনী মোতায়েন রয়েছে গ্রামে। হাসিবুরের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে ফরিদুরকে আটক করেছে কোতুলপুর থানার পুলিশ।






















