Baraipur Case Updates: 'নেশার পর টাকার টোপ দিয়ে নাবালিকাকে তুলে আনতে নির্দেশ', বারুইপুরকাণ্ডে এবার চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে
পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনার দিন যেখান থেকে দেহ উদ্ধার হয় তার কাছে একটি ঝুপড়িতে বসে নেশা করছিলেন ধৃত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার।

কলকাতা: কথা ছিল বন্ধুর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে গিয়ে মজা করার। কিন্তু শেষ অবধি নারকীয় পরিণতি হল। বস্তাবন্দি অবস্থায় পুকুর থেকে উদ্ধার হয়েছে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীর দেহ। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে সামনে এসেছে হাড়হিম করা তথ্য- পুকুরে ফেলে দেওয়ার সময়ও বেঁচে ছিল নাবালিকা। আর এবার বারুইপুরে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য।
পুলিশ সূত্রে দাবি, ঘটনার দিন যেখান থেকে দেহ উদ্ধার হয় তার কাছে একটি ঝুপড়িতে বসে নেশা করছিলেন ধৃত আনন্দ সর্দার, দিবাকর সর্দার। প্রভাস মণ্ডলকে ১০ হাজার টাকা দেওয়ার কথা বলে নাবালিকাকে নিয়ে আসতে বলেন তাঁরা। কথামতো প্রভাস মণ্ডল বিভিন্নভাবে ভুলিয়ে ভালিয়ে নাবালিকাকে নিয়েও যান। অভিযোগ, এরপর নাবালিকার উপর যৌন নির্যাতন করা হয়। এখানেই শেষ নয়, পুলিশ সূত্রে দাবি, সংজ্ঞা হারালে নাবালিকাকে বস্তায় ভরে পুকুরের সামনে নিয়ে যাওয়ার সময়ে সেটি ছিঁড়ে যায়। গতকাল রাতে ধৃত তিনজনকে মুখোমুখি বসিয়ে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সেখানে লাগাতার তাঁরা একে অপরকে দোষারোপ করেন।
বন্ধুর জন্মদিনে যাওয়ার পথে নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন ও খুন করা হয়। মূল অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার-সহ ৩ অভিযুক্ত গ্রেফতার হয়েছে। ধৃতদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণ, খুন, অপহরণ-সহ একাধিক ধারায় মামলা। ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো আইনে মামলা রুজু, ঘটনাস্থলে SIT। বারুইপুরকাণ্ডে ঘটনাস্থলে যায় DGP ও SIT।
ফরেন্সিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ শোভন কুমার দাস বলেন, পোস্টমর্টেম রিপোর্টে এসেছে জলে ডুবে মৃত্যু। যারা ফেলে দিয়েছে জলে তাদের হয়ত মনে হয়েছে মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু তখনও আসলে মারা যায়নি।
ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে- নাবালিকার গোপনাঙ্গে ক্ষতচিহ্ন রয়েছে। মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মস্তিষ্কে জমাট বেঁধে ছিল রক্ত। শরীরের বিভিন্ন অংশে আঁচড়-কামড় সহ ঘষে যাওয়ার দাগও রয়েছে। গলা, শ্বাসনালীতেও আঘাতের দাগ রয়েছে। কোনও জায়গায় ঠুকে দেওয়ার ফলে বা ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করার ফলে যেমন ক্ষত তৈরি হয়, এক্ষেত্রেও তাই হয়েছে।























