Baruipur Case : বারুইপুরে নাবালিকা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রীর, তদন্তে খুশি? কী বললেন বাবা?
৫ দিনের মাথায় ফের বারুইপুরে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। গেলেন নিহত নাবালিকা ও গণপিটুনিতে নিহত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের বাড়িতে।

কলকাতা : ৪ দিনের মধ্যে ফের বারুইপুরে মুখ্যমন্ত্রী। কথা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে। নির্যাতিতার বাবা জানালেন, 'পুলিশি তদন্তে আমরা খুশি। মুখ্যমন্ত্রী যা বলেছিলেন, তাই হচ্ছে' । তিনি জানান, তাঁরা যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন তারা গ্রেফতার হয়েছে। এরপর তাদের বিরুদ্ধে আরও কড়া পদক্ষেপের আশ্বাস দেন তিনি। সেই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি আগে সাক্ষাতে যা যা আবেদন রেখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর কাছে, তা পূরণ হচ্ছে। আগামীতে তাঁর মেয়ের সঙ্গে যাঁরা জঘন্য ঘটনা ঘটিয়েছে, তারা শাস্তি পাবেই, আশা রাখছেন তিনি।
পুলিশ সূত্রে দাবি, পরিকল্পনা করে গণধর্ষণ করা হয় ক্লাস সিক্সের ছাত্রীকে। নাবালিকাকে নারকীয় নির্যাতনে প্রভাস মণ্ডলের সঙ্গী হয় বাকি ৩ অভিযুক্ত দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার ও কবীর মোল্লা। পুলিশ সূত্রে দাবি, বারুইপুরের নির্যাতিতা স্থানীয় বাসিন্দা প্রভাস মণ্ডল ও বাকি অভিযুক্তদের চিনতে পেরে যাওয়ায়, নাবালিকার শ্বাসরোধের পর বস্তাবন্দি করে ফেলে দেওয়া হয় পুকুরে। এই ঘটনার পর মঙ্গলবার ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় মূল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। প্রভাস মণ্ডলকে যেখানে এনকাউন্টার করা হয়েছে সেখান থেকে এদিন নমুনা সংগ্রহ করে ফরেন্সিক দল। বাকিদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। পুলিশ সূত্রে খবর, নারকীয় ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে টানা জেরা করা হচ্ছে দিবাকর সর্দার, আনন্দ সর্দার ও কবীর মোল্লাকে। বৃহস্পতিবার মেডিক্য়াল পরীক্ষার জন্য় নিয়ে যাওয়ার সময়, সমস্ত প্রশ্নের উত্তরে, নিজেকে নির্দোষ বলে দাবি করে, অভিযুক্ত আনন্দ সর্দার।
পুলিশ সূত্রে দাবি, প্রভাস মণ্ডলের বয়ানও রেকর্ড করে রেখেছে তারা। বারুইপুর এনকাউন্টারের তদন্তভার ইতিমধ্য়েই নিয়েছে CID । ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় SIT ও পুলিশ আধিকারিকদের যে টিম ঘটনাস্থলে গেছিল । তাদের বক্তব্য় রিপোর্ট আকারে রাজ্য় পুলিশের ডিজিকে পাঠিয়েছেন বারুইপুর পুলিশ জেলার SP ।
এছাড়া বারুইপুরে সেদিনই গণপিটুনিতে মৃত ইন্দ্রজিৎ মণ্ডলের পরিবারকে ২৫ লক্ষের আর্থিক সাহায্য দেন মুখ্যমন্ত্রী। মৃত ইন্দ্রজিৎ-এর দাদাকে দেন সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরির নিয়োগপত্র। এদিন বারুইপুরে গিয়ে দুই পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পর সূর্যপুরে গিয়ে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ির উদ্বোধন মুখ্যমন্ত্রীর। SP অফিসে প্রশাসন-পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।























