PM Modi: 'অপমান করে কোনও কিছুর সমাধান হয় না', মোদিকে কুরুচিকর মন্তব্য, রাতে ভিডিও বার্তায় আর যা বললেন প্রধানমন্ত্রী
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ ও সমালোচনার জায়গা রয়েছে, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশালীন ভাষা ব্যবহার কোনও ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না।

নয়া দিল্লি: যন্তর মন্তরের বিক্ষোভ ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক যখন তুঙ্গে, ঠিক সেই সময় শুক্রবার রাতে একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে তাঁর এবং তাঁর প্রয়াত মায়ের বিরুদ্ধে অশালীন ভাষা ব্যবহারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গালিগালাজ কখনও কোনও সমস্যার সমাধান করতে পারে না।” একই সঙ্গে তিনি জানান, তিনি এই ধরনের মন্তব্যের জন্য কাউকে ঘৃণা করতে চান না, বরং তাঁদের ক্ষমা করতে চান।
ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, গণতন্ত্রে মতবিরোধ ও সমালোচনার জায়গা রয়েছে, কিন্তু ব্যক্তিগত আক্রমণ বা অশালীন ভাষা ব্যবহার কোনও ইতিবাচক ফল বয়ে আনে না। তাঁর কথায়, “সমাজে পরিবর্তন আনতে হলে যুক্তি, সংলাপ ও শালীনতার পথেই এগোতে হবে।” তিনি আরও বলেন, ক্ষোভ প্রকাশের অধিকার সবার থাকলেও তা যেন ভদ্রতার সীমা অতিক্রম না করে।
প্রসঙ্গত, দিল্লির যন্তর মন্তরে সাম্প্রতিক ছাত্র-যুব বিক্ষোভের সময় একাংশের প্রতিবাদকারীর বক্তব্য ও স্লোগানকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়। অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে আপত্তিকর ও অশালীন মন্তব্য করা হয়েছিল। সেই ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পুলিশ অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু করেছে।
প্রধানমন্ত্রীর ভিডিও বার্তায় আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল তাঁর ক্ষমার বার্তা। তিনি জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে কাউকে শত্রু হিসেবে দেখতে চান না এবং যারা ক্ষোভের বশে এমন মন্তব্য করেছেন, তাঁদের প্রতিও বিদ্বেষ পোষণ করেন না। বরং সমাজে সৌহার্দ্য ও ইতিবাচক আলোচনার পরিবেশ তৈরি হওয়াই তাঁর লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিভিন্ন ইস্যুতে ছাত্র-যুব আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। প্রতিবাদ, পাল্টা প্রতিক্রিয়া এবং সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বিতর্কের আবহে প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একই সঙ্গে বাক্স্বাধীনতা, প্রতিবাদের ভাষা এবং গণতান্ত্রিক শালীনতার সীমা নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।























