Lakshnir Bhandar : অ্যাকাউন্টে ঢুকল লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাড়তি টাকা !
Bengal Budget 2026 Lakshnir Bhandar : অন্তর্বর্তী বাজেটে ঘোষণার পরের দিনই অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাড়তি টাকা!

কলকাতা: অন্তর্বর্তী বাজেটে ঘোষণার পরের দিনই অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাড়তি টাকা! রায়দিঘিতে মহিলাদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বাড়তি টাকা। ১,০০০ টাকার বদলে ১,৫০০ টাকা পেয়ে উচ্ছ্বাস মহিলাদের।
আরও পড়ুন, পশ্চিমবঙ্গে কি এবার ১ দফায় ভোট ? কমিশন সূত্রে বড় খবর প্রকাশ্যে !
গতকাল মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন,ফেব্রুয়ারি মাস থেকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ৫০০ করে বাড়তি টাকা পেয়ে যাবেন।" সেই কথা মতোই অন্তর্বর্তী বাজেটের পরদিনই অ্যাকাউন্টে বাড়তি টাকা ঢুকে গিয়েছে বলে দাবি রায়দিঘির মহিলাদের। ইতিমধ্যেই তাঁরা উৎসবে মেতেছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রতীকী নিয়ে একদল মহিলা মুখে সবুজ আবির মেখে রাস্তায় নেমেছে।
অন্তর্বর্তী বাজেটে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আরও ৫০০ টাকা করে ভাতা বাড়ানো হয়েছে।আজ থেকেই মহিলাদের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্ধিত টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। আর এতে মহিলাদের অনেকেই খুশি। তবে একাংশ আবার বলছেন, ভাতা না বাড়িয়ে সুশিক্ষা, চাকরির ব্যবস্থা করা হোক।ভোটমুখী অন্তর্বর্তী বাজেটে বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভাতা বাড়িয়েছে রাজ্য় সরকার ।
লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে এখন প্রত্য়েকের অ্য়াকাউন্টে মাসে ঢুকবে বাড়তি ৫০০ টাকা।সিভিক ভলান্টিয়ার প্যারা টিচার থেকে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, আশাকর্মী সবার ভাতা মাসে এক হাজার টাকা করে বেড়েছে। যার সুফল পেতে চলেছে বহু পরিবারই। যেমন হাতিবাগানের দত্ত পরিবার। মা মোনালিসা দত্ত পেশায় আশা কর্মী। এতদিন ৫ হাজার ২৫০ টাকা মাসিক ভাতার পাশাপাশি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ১ হাজার টাকা পেতেন।
এবার আশা কর্মীদের ভাতা বেড়ে হচ্ছে ৬ হাজার ২৫০ টাকা। অর্থাৎ হাজার টাকা বেশি। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারেও মাসে বাড়তি ৫০০ টাকা পাবেন। ফলে মাসে অ্য়াকাউন্টে ঢুকবে দেড় হাজার টাকা বেশি। মোনালিসা দত্তর ছেলে রোহিত। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। 'বাংলার যুব সাথী' প্রকল্পে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা পাওয়ার যোগ্য় তিনি। অর্থাৎ মা-ছেলে মিলিয়ে প্রতি মাসে বাড়িতে আসবে বাড়তি ৩ হাজার টাকা। হাতিবাগান বাসিন্দা রোহিত দত্ত বলেন, যে অ্যামাউন্টটা ঢুকছে, ওতে আমরা কিছু হলেও ব্যবহার করতে পারব। যেমন আমরা বই কিনতে পারব। খুব ভাল লাগছে। মায়ের থেকে তো সবসময় চাওয়া যেতে পারে না! আর আমরাও বড় হচ্ছি। কলেজের বইপত্রগুলো আমরা ওই টাকায় কিনতে পারব। আমাদের এটাও সুবিধা হবে।
তবে এই পরিবারের মতো সবাই সরকারি ভাতায় সনতুষ্ট নন। তাঁদের সাফ কথা, তাঁরা খয়রাতি চান না, চাকরি চান। দুর্গাপুরের বাসিন্দা বাবলি শর্মা বলেন, আমি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার অ্যাপ্লাই করিনি এবং পাইও না বা নিতেও চাই না। সবাই সুস্থভাবে চাকরি পেতে পারে, আমার মনে হয় সেটার দিকে নজর দেওয়া উচিত।
























