Dilip On Mamata: 'কান মুলে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে..' ! কামব্যাক সভাতে পুরনো ফর্মে দিলীপ, তীব্র আক্রমণ মমতাকে
Dilip Attacks Mamata: কামব্যাক সভায় পুরনো ফর্মে দিলীপ, জোর নিশানা মমতাকে, কী বললেন ?

কলকাতা : সদ্য বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের সঙ্গে বৈঠকের পরেই পুরনো ফর্মে দিলীপ ঘোষ। ছাব্বিশের নির্বাচনের বছরে, তাঁকে অনেক বেশি করে মিছিলে-সভায় দেখতে পাওয়া যায়, এখবর বিজেপি সূত্রে আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। 'মেদিনীপুর থেকে সরানোর পরিণাম সবাইকে ভুগতে হয়েছে', একদম স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। পছন্দের বিধানসভা কেন্দ্র যে খড়গপুর, কোনও রাখঢাক করেননি। গতবছর দীঘার জগন্নাথ মন্দিরে মমতার আমন্ত্রণে সাড়া দেওয়া নিয়ে যাও বা বিতর্ক মোড় নিয়েছিল, জল্পনার সবটুকুই শমীকের সঙ্গে দেখা করে যবনিকা টেনেছিলেন। আর এবার আরও একধাপ এগিয়ে কামসভা থেকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এবার তোপ দাগলেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি। বললেন, 'কান মুলে বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে নন্দীগ্রাম।'
সম্প্রতি প্রায় সব হেভিওয়েট কেন্দ্র ধরে ধরেই সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছিল, এসআইআর-এ কোথায় কত ভুয়ো ভোটার বাদ গিয়েছে ? আর ঠিক সেই তথ্যকেই এদিন টেনে আনলেন বিজেপির বর্ষীয়ান নেতা। মূলত তৃণমূল নেত্রীর বরাবরের ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে লড়ে আসা প্রেক্ষাপট বদলাতে দেখা গিয়েছিল একুশে। আচমকাই গোটা বাংলা চমকে গিয়েছিল, যখন এক সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, কেমন হয় যদি তিনি নন্দীগ্রাম থেকে ভোটে দাঁড়ান ? বাকিটা ইতিহাস। পরে দেখা যায় তিনি শুভেন্দুর বিপরীতে নন্দীগ্রাম থেকে দাঁড়িয়েছিলেন। বামেদের হয়ে সেবার পদ পার্থী ছিলেন মীনাক্ষী। এরপরেই হেভিওয়েট কেন্দ্রের সিলমোহর পড়ে নন্দীগ্রামে। ফলাফলের কথা আর কারও জানতে বাকি নেই। শাসকদলের সেই দুর্বল জায়গাতেই এদিন আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ। বললেন, '..এখন বেরিয়ে পড়েছেন, এবার নাকি উল্টে দেবেন, পাল্টে দেবেন, কী করবেন সেটা মানুষ জানে। তাই এসআইআর-এই আমরা বুঝেছি, দিদিমণির যে ভবানীপুর থেকে জেতেন, সেখানে..ভেজাল নাম বাদ গিয়েছে ..কেন জেতেন আমরা জানলাম। যেই নন্দীগ্রামে গেছেন, কান মুলে বাড়ি পাঠিয়ে দিলাম, ওখানে মাত্র ১০ হাজার মৃত ভোটার ছিল, জিততে পারেননি।'
'নিশ্চয়ই মন্ত্রী হব। মন্ত্রী তো হতেই হবে, নাহলে আপনাদেরকে সুবিধা দেব কী করে?' রানাঘাটের সভা থেকে এভাবেই মন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলেন দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের কথায়,'পরিবর্তন তো এমনিতেই হবে। পরিবর্তন এযুগের নিয়ম। কিন্তু আমরা একটু তাড়াতাড়ি চাইছি। আপনারা অনেকে বলতে পারেন, আপনার বোধহয় আর বাইরে থাকতে ভাল লাগছে না, মন্ত্রী হতে চাইছেন। নিশ্চয়ই মন্ত্রী হব। মন্ত্রী তো হতেই হবে, নাহলে আপনাদেরকে সুবিধা দেব কী করে? গরিব মানুষের জীবনে পরিবর্তন কী করে করব? পশ্চিমবাংলায় বিজেপির সরকার না হলে, নরেন্দ্র মোদি যে গরিব কল্যাণ যোজনার সমস্ত সামগ্রী পাঠাচ্ছেন এখানকার গরিব মানুষের জীবন পরিবর্তনের জন্য, সেটা আপনার কাছে পৌঁছবে কী করে।'





















