Bengal SIR Row: ভোটার তালিকায় 'গরমিল', সাসপেন্ড ৪ সরকারি অফিসার, FIR-এর নির্দেশ কমিশনের
SIR Draft Violation 4 State Govt Officer Suspend : ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগে চার আধিকারিক ও ১ কর্মীর বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।

রুমা পাল, কলকাতা: ভোটার তালিকায় গরমিলের অভিযোগে চার আধিকারিক ও ১ কর্মীর বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন। পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলাশাসককে এই এফআইআর করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ময়না ও বারুইপুর পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের ৪ আধিকারিক ও ১ কর্মীর বিরুদ্ধে FIR-এর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন, SIR-এ "জীবিতকে মৃত"! র্যাম্পে হাঁটালেন অভিষেক, এবার জবাব এল কমিশনের তরফে, 'ভুল ভ্রান্তি হতে পারে..'
ঠিক হয়েছিল ?
নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশ, এই নির্দেশকে ঘিরে বেশ কয়েক মাস আগে, কিন্তু তোলপাড় হয়েছিল। যেখানে তৎকালীন মুখ্যসচিবকে ডেকে পাঠানো হয়েছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশনে। এবং অবশ্যই দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার যে ইআরও এবং এইআরও যারা ছিলেন, এবং একজন ডেটাএন্ট্রি অপারেটর ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কিন্তু সরাসরি এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল রাজ্যকে। কিন্তু তারপর দেখা যায় মুখ্যসচিব যখন দিল্লিতে যান, দিল্লি থেকে ফিরে আসার পর তাঁদের সাসপেন্ড করা হলেও, তাঁদের বিরুদ্ধে, এফআইআর করা হয়নি। এবং অবশ্যই প্রশ্ন উঠছিল, তাঁদের বিরুদ্ধে এতদিন পর্যন্ত, কোনও রাজ্য এফআইআর করেনি। সেক্ষেত্রে কিন্তু এবার নির্বাচন কমিশনের নতুন নির্দেশ, যে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদেরই কিন্তু এফআইআর করতে হবে। এবার কিন্তু নির্বাচন কমিশন কিন্তু স্মরণ করিয়ে দিল, কোনওভাবেই তাঁরা রাজ্যের উপর নির্ভর করবে না। রাজ্যের মুখ্যসচিবের উপর নির্ভর করবে না, যে তাঁদেরকে এফআইআর করতে হবে কিনা, এবার কিন্তু নির্বাচন কমিশন নিজেদের ক্ষমতার কথা বলল।
কেন এফআইআর করতে বলা হয়েছিল ?
কেন এফআইআর করতে বলা হয়েছিল ? কারণ ভুয়ো ভোটার এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, এমনটাই কিন্তু তথ্য ছিল নির্বাচন কমিশনের কাছে। এবং নির্বাচন কমিশন অবশ্যই তাঁরা বলেছেন, এআই মাধ্যমে তাঁরা জনতে পেরেছিলেন, ইআরও-এইআরও এবং ডেটা এন্ট্রি , তাঁরা কিন্তু ভুয়ো ভোটার , ভোটার তালিকায় সংযোজন করেছে বলে অভিযোগ ছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে রীতিমত অভিযোগ ছিল, সেই কারণেই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা সাসপেন্ড হলেও, পরবর্তীতে দেখা যায়, এফআইআর হয়নি। এবার কিন্তু নির্বাচন কমিশন সরাসরি, জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ক্ষমতা দিল, তাঁরা যাতে, এদের বিরুদ্ধে অবশ্যই এফআইআর করে।






















