Anubrata Mondal: কুকথাকাণ্ডে জাতীয় মহিলা কমিশনে গেলেন না বীরভূমের SP, নেপথ্যে কী কারণ?
Anubrata Mondal Comment Controversy: বোলপুর থানার IC লিটন হালদারকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন তৃণমূল নেতা ও বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল।

পার্থ প্রতিম ঘোষ, কলকাতা: অনুব্রত মণ্ডলের IC-কে কুকথাকাণ্ডে জাতীয় মহিলা কমিশনে গেলেন না বীরভূমের পুলিশ সুপার। চিঠি দিয়ে আবেদন করলেন, ৬ তারিখ পর্যন্ত ব্যস্ত থাকবেন, বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।
বোলপুর থানার IC লিটন হালদারকে কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন তৃণমূল নেতা ও বীরভূমের প্রাক্তন জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রতর কদর্য আক্রমণ নিয়ে জল গড়িয়েছে দিল্লি পর্যন্ত। ইতিমধ্যেই পুলিশের কাছে দু'বার অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট তলব করেছিল জাতীয় মহিলা কমিশন। কিন্তু কোনও রিপোর্টেই সন্তুষ্ট না হয়ে, সশরীরে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয় বীরভূমের পুলিশ সুপার আমনদীপকে। পয়লা জুলাই বেলা ১২ টার সময়, জাতীয় মহিলা কমিশনের অফিসে ডেকে পাঠানো হয় বীরভূমের SP-কে। একইসঙ্গে বলা হয়, তিনি যেতে না পারলে তাঁর জায়গায় উপস্থিত থাকতে হবে, বোলপুুরের অ্যাডিশনাল এসপি বা বোলপুরের SDPO-কে। কিন্তু কমিশনের তলবে বীরভূমের পুলিশ সুপার দিল্লি গেলেন না। না যেতে পারার কারণ উল্লেখ করে, জাতীয় মহিলা কমিশনকে চিঠি পাঠিয়ে জানিয়েছে বীরভূম জেলা পুলিশ। পুলিশের তরফে কমিশনকে জানানো হয়েছে, বেশ কিছু ঘটনা এবং হুল উৎসব চলায় ৬ জুলাই পর্যন্ত ব্যস্ত থাকবেন পুলিশ সুপার ও অন্য পুলিশ আধিকারিকরা। সমস্যার কথা মাথায় রেখে বিষয়টি বিবেচনা করা হোক।
এর আগে, রিভাইসড অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চাওয়ার পাশাপাশি, চিঠিতেই জাতীয় মহিলা কমিশন বলেছিল। অনুব্রত মণ্ডলের বিরুদ্ধে মহিলার শালীনতা লঙ্ঘন করার উদ্দেশে শব্দপ্রয়োগের জন্য ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৭৯ ধারা, শান্তি নষ্ট করতে প্ররোচনা দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অপমান করার জন্য ৩৫২ ধারা, এবং মহিলার শালীনতা লঙ্ঘনের উদ্দেশ্য নিয়ে অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের জন্য ৭৪ ধারায় মামলা রুজু করা হোক। এরপর SP-কে দিল্লিতে তলব করা হয়। গত ২৪ জুন পাঠানো চিঠিতে পুলিশ সুপারকে যে সমস্ত নথি নিয়ে যেতে বলা হয়, সেগুলি হল - FIR ও সংশ্লিষ্ট GD এন্ট্রি, ভিডিওগ্রাফি ও ফোটোগ্রাফ, মেডিক্যাল ও ফরেন্সিক রিপোর্ট, 'স্পর্শকাতর' FIR সংক্রান্ত নথি, ম্যাজিস্ট্রেটের কপি, এবং তদন্তে অগ্রগতির রিপোর্ট।
পুলিশ সুপারকে ডেকে পাঠিয়ে চিঠিতেই জাতীয় মহিলা কমিশনের তরফে বলা হয়, ২০ দিন পেরিয়ে গেলেও কলকাতার ফরেন্সিক বিভাগের কাছ থেকে এখনও রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। এটা গ্রহণযোগ্য নয়। কলকাতার ফরেন্সিক বিভাগকে চিঠি দিয়ে এখনই রিপোর্ট চাওয়া হোক। একইসঙ্গে চিঠিতে বলা হয়, FIR অনুযায়ী যে ধারাগুলি দেওয়া হয়েছে তা অভিযোগের গুরুত্ব অনুযায়ী যথেষ্ট নয়। কোন কোন ধারা যুক্ত করতে হবে, তা কমিশন আগেই জানিয়েছে।






















