Biswa Bangla Logo: ডার্বির আগেই বদলে গেল যুবভারতীর ছবিটা! সরিয়ে দেওয়া হল বিশাল 'বিশ্ববাংলা' লোগো
Biswa Bangla Logo Removed: সরকারি বিভিন্ন কাজে, বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে এই লোগো। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই, বিভিন্ন জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই লোগো।

কলকাতা: আজ ডার্বি, তার আগেই বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। এর আগেই জানানো হয়েছিল, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের 'লোগো' হিসেবে আর ব্যবহার করা যাবে না, 'বিশ্ববাংলা লোগো'। তার বদলে, সরকারি লোগো হিসেবে ব্যবহার করা হবে অশোকস্তম্ভ। ইতিমধ্যেই একাধিক জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, বিশ্ববাংলা-র লোগো। আর আজ, সল্টলেট স্টেডিয়ামে ডার্বি। হাইভোল্ডোজ ডার্বির আগে যুবভারতী থেকে সরল, 'বিশ্ববাংলা' লোগো। তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনকালে সমস্ত জায়গায় ব্যবহার করা হত এই বিশ্ববাংলা লোগো। সরকারি বিভিন্ন কাজে, বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করা হয়েছে এই লোগো। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই, বিভিন্ন জায়গা থেকে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে এই লোগো। চলতি মরশুমে আইএসএল কে জিতবে, তা নির্ধারিত হবে আজকের মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ম্যাচে। আর তার আগেই, যুবভারতী থেকে সরে গেল, 'বিশ্ববাংলা লোগো'।
ভাঙা হল বেআইনি নির্মাণ
অন্যদিকে, সিপিএম নেতার জায়গা জবরদখল করে দোকান তৈরির অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। আদালতের নির্দেশ মতো বেআইনি নির্মাণ ভাঙল জেলা প্রশাসন। এবার হাসনাবাদে নামানো হল বুলডোজার। অভিযুক্তর অবশ্য দাবি, ওই জমি লিজ নিয়ে নির্মাণকাজ করেছেন তিনি। বেআইনি নির্মাণ দেখলেই চলছে বুলডোজার, আদালতের রায় দ্রুত কার্যকর করতে তৎপর প্রশাসন। তিলজলায় বুলডোজার অ্য়াকশন, গড়িয়ায় বুলডোজার অ্য়াকশন, হাসনাবাদে চলল বুলডোজার। তিলজলা, গড়িয়ার পর এবার হাসনাবাদ। অবৈধভাবে জমি দখল করে বেআইনি দোকান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছিল, উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদের তালপুকুরে। শনিবার সেই নির্মাণ ভেঙে দিল প্রশাসন। স্থানীয় বাসিন্দা সাদ্দাম হোসেন ঘরামি এলাকায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত।
সিপিএম নেতা গিয়াসউদ্দিন বৈদ্যর পরিবারের অভিযোগ, তাঁদের জমি জবরদখল করে দোকান নির্মাণ করেন সাদ্দাম হোসেন ঘরামি। অভিযোগকারী পরিবারের দাবি, ২০২২ সালে ওই নির্মাণ ভাঙার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। কিন্তু, অভিযুক্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ হওয়ায় তা ভাঙা হয়নি। সরকার বদলের ২ সপ্তাহের মাথায় ক্য়ুইক অ্যাকশন। শনিবার বুলডোজার দিয়ে ভেঙে দেওয়া হল ওই দোকান। যদিও অভিযুক্ত তৃণমূল ঘনিষ্ঠ সাদ্দাম হোসেন ঘরামির দাবি, ওই জমি লিজ নিয়ে তিনি দোকান করেন। এর আগে তিলজলায়, চামড়ার কারখানায় আগুন লেগে ২ জনের মৃত্যুর পর বেআইনি নির্মাণ ভাঙা শুরু করে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার গড়িয়ার কামডহরিতে বেআইনি ক্লক টাওয়ার ভেঙে দেওয়া হয়। এবার সেই ছবি ধরা পড়ল উত্তর ২৪ পরগনার হাসনাবাদে।





















