Suvendu Adhikari : 'বাড়ির অদূরে ঘটনা, তাও একবারও আনন্দপুরে যাওয়ার সময় পাননি', মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর
Anandapur Fire : মৃতদের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরির আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

কলকাতা : মৃত্যুপুরী আনন্দপুর। অগ্নিকাণ্ডে আরও বাড়ল মৃত্যু। অগ্নিকাণ্ডের পর আরও তিন জনের জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর জেরে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯। এনিয়ে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে, মৃতদের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরির আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বিরোধী দলনেতা বলেন, "প্রমাণ হয়েছে, এই রাজ্যে সরকার নেই। সরকার কার্যত চোখ বন্ধ করে আছে এবং মুখ্যমন্ত্রী...তাঁর বাড়ির অদূরে এই ঘটনা ঘটার পরেও তিনি একাধিক আনন্দ-অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক কর্মসূচি, আইপ্যাক-প্রণীত নানা ধরনের নির্বাচনী নাটকে অংশ গ্রহণ করছেন। কিন্তু, তিনি একবারও আনন্দপুরে যাওয়ার সময় পাননি। পরিবারগুলোর খোঁজ নেওয়ারও সময় পাননি। আমাদের মনে হয়েছে, যেহেতু যারা মারা গেছে, তাঁদের মধ্যে কেউ বিশেষ সম্প্রদায়ের বা বিশেষ ভোটব্যাঙ্কের কেউ নেই...তাই মুখ্যমন্ত্রী তাঁর রাজধর্ম বা মানবিক ধর্ম পালন করার ন্যূনতম সৌজন্য দেখাতে পারেননি।"
সিঙ্গুরের সভা থেকে কী ঘোষণা মমতার ?
এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, "কাল আমাদের কিছু বন্ধু প্রাইভেট কোম্পানিতে কাজ করতে গিয়ে মারা গিয়েছেন। আমি ববি-অরূপকে পাঠিয়েছিলাম। তাঁদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা করে দিচ্ছে ওয়াও মোমো এবং ডেকরেটররাও ৫ লক্ষ টাকা করে দিচ্ছে। পুলিশকে বলেছি, তাঁদের পরিবারের একজন করে সিভিকে চাকরি দেওয়ার জন্য। আমরা কিন্তু আপনাদের মতো অমানবিক নই, এটা মাথায় রাখবেন।"
না ছিল কোনও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, না ছিল ফায়ার এক্সিট। নাজিরাবাদে অগ্নিদগ্ধ গোডাউন নিয়ে এমনই জানিয়েছেন আগুন নেভাতে আসা দমকল কর্মী থেকে ডিজি ফায়ার। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, দিনের পর দিন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই কী করে চলছিল গোডাউনগুলি? এর দায় কি প্রশাসনের নয়?
এ যেন সাক্ষাৎ মৃত্যুপুরী। আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ডের পর একাধিক কর্মীর দেহাংশ মিলেছে। ভিতরে পড়ে থাকতে দেখা গেছে পোড়া হাড়গোড়ের টুকরোও। অভিযোগ উঠেছে, গোডাউনে না ছিল কোনও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। না ছিল কোনও ফায়ার এক্সিট। আগুন নেভাতে ঢোকা দমকল আধিকারিকদের মুখেও শোনা গেছে একই কথা। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে, দিনের পর দিন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছাড়াই কী করে চলছিল গোডাউনগুলি ? কোথায় ছিল প্রশাসনের নজরদারি ? ফায়ার অডিট ! FIR ! ফরেনসিক ! এখন শোনা যাচ্ছে নানা পদক্ষেপের কথা। কিন্তু, সময়মতো পদক্ষেপ নেওয়া হলে তো এতগুলো পরিবার শেষ হয়ে যেত না। এমনই বলছেন অনেকে।





















