Soumitra Khan: 'জীবনে অনেক পাপ করেছেন, সনাতনীদের হয়ে কাজ করুন, বিজেপির হয়ে ভোট করুন', অনুব্রতকে পরামর্শ সৌমিত্রর
Anubrata Mondal: বোলপুরে 'চাকরি চায় বাংলা' কর্মসূচি থেকে কাজল শেখ, অনুব্রত মণ্ডল, চন্দ্রনাথ সিংহদের কী পরামর্শ দিলেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ?

Soumitra Khan: এবার অনুব্রত মণ্ডল ও চন্দ্রনাথ সিংহকে বিজেপির হয়ে ভোট করার পরামর্শ বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁয়ের। বোলপুরে 'চাকরি চায় বাংলা' কর্মসূচি থেকে পরামর্শ সৌমিত্র খাঁয়ের। কাজল শেখ-অনুব্রতকে বলব জীবনে অনেক পাপ করেছেন, এবার সনাতনীদের হয়ে কাজ করুন, পরামর্শ সৌমিত্রর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টিকিট দিলেও বিজেপির হয়ে ভোট করুন, চন্দ্রনাথ সিন্হাকে পরামর্শ সৌমিত্র খাঁয়ের। অস্তিত্ব বজায় রাখতে হলে বিজেপির হয়ে কাজ করতে হবে, পরামর্শ বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদের। বীরভূমে ১১টি আসনের মধ্যে ৯টি আসনে জিতবে বিজেপি, হুঙ্কার সৌমিত্র খাঁয়ের।
বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ এদিন বোলপুরের কর্মসূচি থেকে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের উদ্দেশে বলেছেন, 'অনুব্রত মণ্ডলকে বলব, জীবনে অনেক পাপ করেছেন। দয়া করে এবার সনাতনীদের হয়ে কাজ করুন। একটা কথা আছে, যার শেষ ভাল তার সব ভাল। আপনি সনাতনীদের হয়ে কাজ করুন। আপনি বাড়িতে থেকে সনাতনীদের পক্ষে ভোট করুন।' এর পাশাপাশি সৌমিত্র খাঁ'র হুঙ্কার, 'বীরভূমে ভারতীয় জনতা পার্টি, আমরা ১১টার মধ্যে ৯টা সিট জিতব। এটা আমাদের টার্গেট। এটা আমাদের ভিশন। এটা আমরা জিতবই।'
তৃণমূল নেতা চন্দ্রনাথ সিন্হার উদ্দেশেও এদিন সৌমিত্র খাঁ বলেছেন, 'চন্দ্রনাথবাবু আপনি ভোটে দাঁড়াতে পারেন। কিন্তু আপনাকে পাড়ার লোকেই ভোট দেয় না আমি শুনলাম। আপনি আক্ষেপ করেছেন। আপনাকেও বলব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টিকিট দিলেও, তা সত্ত্বেও আপনি বিজেপির হয়ে ভোট করুন। কারণ এখানে অস্তিত্ব রাখতে চাইলে, বাড়িঘর রাখতে চাইলে, আপনাকে বিজেপির হয়েই বাঁচতে হবে।'
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই বীরভূমে দলের অনুষ্ঠানে গিয়ে হার-জিতের প্রসঙ্গে সরব হয়েছিলেন বোলপুরের তৃণমূল বিধায়ক ও রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিন্হা। নিজের ওয়ার্ডে তৃণমূলের হার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। হার নিয়ে যে দলের অন্দরেই কটাক্ষের শিকার হতে হয় সেই কথাও জানান। বিধানসভা ভোটের আগে চন্দ্রনাথ সিন্হা বলছেন, "আমাদের নানান কথা শুনতে হয় কলকাতায়, যে আমি সব জায়গায় জিতি, নিজের ওয়ার্ডে হারি, কলকাতায় যখন আমাদের মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়, তখন আমাকে কটাক্ষ শুনতে হয়, অনেক কাজ করার ইচ্ছে থাকলেও অনেক কাজ দেয় না। বলে যে না, আগে জিতে এস। কেষ্ট-দার ওয়ার্ডেও বৈঠক ছিল, ওখানেও আমরা হারি, এই দুটো ওয়ার্ড আমরা হারি। এই হারার ফলে আমাদের দু'জনকেই কলকাতায় কথা শুনতে হয়।"























