Suvendu On Mamata: '..জেতার কোনও চান্স নেই মমতার' ! ২৬-র আগে শুভেন্দুর কাছে আবার বড় প্ল্যান ? উত্তরকন্যা অভিযানে তাৎপর্যপূর্ণ ইঙ্গিত
Suvendu Attacks Mamata : উত্তরকন্যা অভিযানে এসে মনে করালেন নন্দীগ্রামের কথা, '..জেতার কোনও চান্স নেই মমতার' ! ২৬-এর আগে আবার কোন বড় প্ল্যান ? মুখ খুললেন শুভেন্দু

কলকাতা : ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের আগে এটাও হেভিওয়েট ২১ জুলাই। দক্ষিণে যখন গর্জে উঠলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee), ঠিক তখনই উত্তরে শাসকদলের সবথেকে দুর্বল জায়গায় আক্রমণ করলেন শুভেন্দু। মূলত আরজিকর ইস্যু থেকে শুরু করে কসবা আইন কলেজ, আইআইএম কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে শাসক নেতার। যার জেরে চাপের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস। আর ঠিক সেই জায়গাতেই তোপ দাগলেন বিরোধী দলনেতা।
আরও পড়ুন, 'সিপিএমের আমলে কাউকে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেওয়া হত না...', একুশের আগের রাতে বিস্ফোরক মমতা
২১-জুলাই এর আগেই রাজ্যে এসে জোড়া মেগা সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তার মুখে শোনা গিয়েছিল শিল্প, কর্মসংস্থান, উন্নয়ন, নারী সুরক্ষার কথা। বিশেষ করে রাজ্যে এসে আরজিকর ইস্যুতে বাংলার হাসপাতালে মহিলারা সুরক্ষিত নন, বলেও গুরুতর অভিযোগ তুলে গিয়েছিলেন তিনি। এবার সেই সুরই শোনা গেল রাজ্যের বিরোধী দলনেতার মুখেও।
' মা-বোন-দিদিরা আপনারা কেউ সুরক্ষিত ?..'
এদিন সভামঞ্চে শুভেন্দু বলেন, আজকের কর্মসূচি কেন ? নিজেই উত্তর দিয়ে বলেন নারী সুরক্ষা। মা-বোন-দিদিরা আপনারা কেউ সুরক্ষিত ? এরপরেই তিনি দর্শকের দিকে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন। উত্তর আসে ওদিক থেকে, না। শুভেন্দু আবার প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন অভয়ার কথা মনে আছে ? তোলেন কালীগঞ্জের প্রসঙ্গও। কন্যা সুরক্ষার জন্য আজকে এই কর্মসূচি।' অপরদিকে, একুশে জুলাই।
'কলকাতায় ছিল ডিম-ভাত আর বয়লার মুরগির সভা..'
এদিনও শুভেন্দুর মুখে শোনা যায়, 'তৃণমূল মানে চোর। চোর ধরো..' স্লোগান। সভা শেষে সাংবাদিকদের সামনাসামনি এসে শুভেন্দু বলেন, আজকে কর্মসূচিতে, হাইকোর্ট আমাদের বলেছে, আপনারা এই রুট দিয়ে যান..। আমরা হাইকোর্টকে মর্যাদা দিয়েছি। বাঁশের বেড়া বা জলকামান কাজে লাগেনি। সম্পূর্ণভাবে যেহেতু হাইকোর্ট... আমরা বিজেপি, সংবিধান মানি, তিন কিমি রাস্তা এই রোদে, হাজার হাজার মানুষ বেরিয়েছে। এটা নাকি স্বাভাবিক। আর কলকাতায় ছিল ডিম-ভাত আর বয়লার মুরগির সভা।'
'..মমতার জেতার কোনও চান্স নেই'
শুভেন্দু সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে বলেন, 'ওনারা সরাসরি নির্বাচন কমিশন এবং ভারতীয় সংবিধানকে চ্যালেঞ্জ করছেন। রোহিঙ্গা মুসলমান, বাংলাদেশি মুসলমান, একজনেরও নাম থাকবে না। ..মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পার্টির রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা উচিত। যেভাবে তাঁরা নির্বাচন কমিশন এবং সাংবিধানিক বডিকে থ্রেট করছেন।..রোহিঙ্গা মুসলমান, বাংলাদেশি মুসলমান পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাদ গেলে মমতার জেতার কোনও চান্স নেই। নন্দীগ্রামে হেরেছে। এবার গোটা বাংলায় হারবে।'






















