Bharati Ghosh: 'করবেন না, ভারতী ঘোষ কাউকে ভয় পায় না...', CBI চার্জশিটে নাম উঠতেই কড়া প্রতিক্রিয়া BJP নেত্রীর
CBI Investigation: ২০২৪ সালের জুন মাসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে তিনদিন ধরে বিকাশ ভবনের গোডাউনে তল্লাশি চালিয়েছিল তারা। সেখানেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়।

কলকাতা : একসময় ছিলেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'স্নেহভাজন'। তখন তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার। পরবর্তীকালে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। এবার সেই ভারতী ঘোষের নামেই চার্জশিট দিল বিজেপি।'চাকরির জন্য তিনি নাকি ৪ জনের তালিকা দিয়ে সুপারিশ করেছিলেন।' এমনই দাবি করেছে CBI। প্রাথমিকে চাকরির সুপারিশ করে তৃণমূল-বিজেপি দু'দলের নেতারাই চিঠি দিয়েছেন বলে চার্জশিটে উল্লেখ করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। একের পর এক প্রভাবশালীর নাম রয়েছে সেই তালিকায়। ভারতী ছাড়াও তালিকায় রয়েছেন দিব্যেন্দু অধিকারী, মমতা ঠাকুররা। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ নস্যাৎ করেছেন ভারতী ঘোষ।
তিনি বলছেন, "যদি কোনও জায়গা থেকে নাম এসে থাকে, ভাই, আমাকে ডাকুন। আমার সঙ্গে কথা বলুন। কথা নেই, বার্তা নেই, আপনারা যা ইচ্ছা তাই করবেন ? চাকরিজীবনে বহু মানুষের বহু উপকার করেছি। কিন্তু, আমি সমস্ত কাজ আইনের গণ্ডির মধ্যে থেকে করেছি। আমি অনেক ভাবলাম। যখন সকালে খবরটা পেলাম, তখন ভেবে দেখলাম, বিষ্ণুপুর থেকে একটা মেয়ে এসেছিল। তার মেদিনীপুরে সেন্টার পড়েছিল। কিন্তু, সে বাঁকুড়া বিষ্ণুপুর সেন্টার চেয়েছিল। তার বাড়িতে কে একজন খুব অসুস্থ ছিল। তখন হয়তো আমি লিখে থাকতে পারি বা বলে থাকতে পারি। কিন্তু, মানুষের উপকার করতে গিয়ে চার্জশিটে নাম ঢুকিয়ে দেবে...। সেটা তো ভাবিনি কখনও। আমি সিবিআইকে বলব, কাম আউট ক্লিন। যা আছে বের করুন না সবার সামনে। একটু দেখি, বুঝি। একটা নাম ঢোকাচ্ছেন। একটা রেপুটেশনে দাগ লাগানোর চেষ্টা করছেন। করবেন না। ভারতী ঘোষ কাউকে ভয় পায় না। জীবনে ভয় পায়নি, এখনও ভয় পায় না। "
নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে তদন্তে বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনল সিবিআই। ২০২৪ সালের জুন মাসে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে তিনদিন ধরে বিকাশ ভবনের গোডাউনে তল্লাশি চালিয়েছিল তারা। সেখানেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়। কেন্দ্রীয় এজেন্সি দাবি করেছে, সেখানেই একটি নথিতে ২০১৪-র প্রাথমিক টেটের ৩২৪ জন চাকরিপ্রার্থীর নাম ও রোল নম্বর পাওয়া যায়। তাঁদের নাম কারা সুপারিশ করেছিলেন সেই উল্লেখও রয়েছে নথিতে। চাকরিপ্রার্থীদের নামের তালিকার উপরেই নাম রয়েছে তৃণমূল সাংসদ মমতা ঠাকুরের, সিবিআই-এর দেওয়া তালিকায় নাম রয়েছে ভারতী ঘোষেরও, যিনি বর্তমানে বিজেপির নেত্রী। তবে, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার ছিলেন তিনি। সুপারিশকারী হিসেবে নাম রয়েছে তৎকালীন তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীরও।






















