R G Kar Scam Case : আর জি কর হাসপাতালের দুর্নীতিকাণ্ডে আখতার আলিকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ
Akhtar Ali : দুর্নীতির অভিযোগ তোলা আখতার আলিকেই গত বছর নভেম্বর মাসে দুর্নীতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছিল।

কলকাতা : আর জি কর হাসপাতালের দুর্নীতিকাণ্ডে আখতার আলিকে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ। আর জি কর হাসপাতালের প্রাক্তন ডেপুটি সুপারকে গ্রেফতার করা হোক বলে নির্দেশ দিয়েছে CBI-এর বিশেষ আদালত। তাঁর নামে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তলব সত্ত্বেও আজও আদালতে হাজিরা দেননি আখতার আলি। তিনি জানিয়েছেন, তিনি অসুস্থ, নার্সিংহোমে ভর্তি আছেন। যদিও আদালত মনে করছে, ইচ্ছে করে আসছেন না আখতার আলি। এমনই খবর সূত্রের।
'আজই হাজিরা না দিলে গ্রেফতারির ওয়ারেন্ট ইস্য়ু করে দেব।' গত বছর ডিসেম্বর মাসে আরজি কর মেডিক্য়ালে দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত আখতার আলির উদ্দেশে এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল আলিপুরের বিশেষ CBI কোর্ট। আদালতের কড়া ধমকের মুখেও গরহাজির ছিলেন আরজি করের প্রাক্তন ডেপুটি সুপার। RG কর মেডিক্য়ালে দুর্নীতির মামলায় CBI-এর দেওয়া সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে নাম রয়েছে হাসপাতালেরই প্রাক্তন ডেপুটি সুপার আখতার আলির। সিবিআইয়ের চার্জশিটের নাম ওঠার পর, আখতার আলির প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন, 'এটা তো মিথ্যা অভিযোগ।'
দুর্নীতির অভিযোগ তোলা আখতার আলিকেই গত বছর নভেম্বর মাসে দুর্নীতির অভিযোগে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। তাঁর বিরুদ্ধে সরঞ্জাম পাইয়ে দেওয়ার বদলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। ইস্তফা গ্রহণ না করে আখতার আলিকে সাসপেন্ড করে স্বাস্থ্য দফতর।
আর জি কর মেডিক্যালে ডেপুটি সুপার থাকাকালীন দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন আখতার। তাঁর অভিযোগের প্রেক্ষিতেই সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হন। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরে চাকরি ছাড়ার জন্য পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু, সেই ইস্তফাপত্র গ্রহণ না করে তাঁকেই সাসপেন্ড করা হয়। আখতার আলিকে সাসপেন্ড করে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর জানায়, 'আখতার আলির অভিযোগেই মিলেছে দুর্নীতিতে জড়িত থাকার প্রমাণ।' তাঁর বিরুদ্ধে বরাত পাইয়ে দিতে টাকা, পরিবারের জন্য বিমানের টিকিট নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। আরও অভিযোগ, দু'টি সংস্থা থেকে একাধিকবার বিমানের টিকিট কাটিয়েছিলেন আখতার আলি। একটি সংস্থা থেকে স্ত্রীর অ্যাকাউন্টে ৫০ হাজার টাকা নিয়েছিলেন। চতুর্থ আরেকটি সংস্থা থেকে ২ লক্ষ ৩৯ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ৪ কোটি ১৪ লক্ষের বরাত পাইয়ে দিতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়।
আরজি করের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে তিনিই প্রথম দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছিলেন। সেই কারণে তাঁকে বদলিও হতে হয়েছিল বলে এর আগে দাবি করেছিলেন আখতার আলি।























