Municipality Scam Case : পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার চূড়ান্ত চার্জশিটে চাঞ্চল্যকর দাবি CBI-এর, 'ছাড় কেউ পাবেন না', হুঙ্কার শুভেন্দুর
CBI Investigation: সূত্রের আরও খবর, CBI-এর পেশ করা চার্জশিটে ৮টি পুরসভার নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রকাশ সিনহা, কলকাতা : 'সাদা খাতা জমা দিয়ে হয়েছিল চাকরি। একের জায়গায় অন্য পদে নিয়ম না মেনেও হয়েছিল চাকরি।' পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় চূড়ান্ত চার্জশিটে এমনই চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে CBI। খবর সূত্রের। গত শুক্রবার চার্জশিট জমা পড়েছে।
সূত্রের আরও খবর, CBI-এর পেশ করা চার্জশিটে ৮টি পুরসভার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এই পুরসভাগুলির মধ্যে আছে উত্তর ও দক্ষিণ দমদম, কামারহাটি, বরানগর, টিটাগড়, রানাঘাট, হালিশহর, বনগাঁ পুরসভার নাম। এই পুরসভাগুলিতে কীভাবে বেনিয়ম হয়েছিল, কারা কারা জড়িত ছিল, সেই সমস্ত তথ্য পেশ করা হয়েছে। ৮টি পুরসভায় ৬০০-রও বেশি বেআইনিভাবে চাকরি হয়েছে বলে দাবি CBI-এর। 'অয়ন শীলের সংস্থা এবিএস ইনফোজোন প্রাইভেট লিমিটেডকে কাজে লাগানো হয়েছিল।' গড় আড়াই বছর ধরে তদন্ত করে এমনই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য তুলে ধরেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। এরপর আগামী ৭ তারিখে যখন এই মামলার শুনানি হবে তখন দেখার বিষয় হবে কোর্টের তরফে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সিবিআই সেদিন কী বলে।
এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, "এই যে চার্জশিট। পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি। শুধু একটা কামারহাটি পুরসভাতে ২০০ জনকে ঢুকিয়েছে, এরমধ্যে রয়েছে সুজিত বসুর দুই শ্যালিকা। অনেকেই ভাবছেন যে, সিবিআইয়ের চূড়ান্ত চার্জশিট মানে রিলিভড ? না, বন্ধু। মানি ট্রেল হয়েছে তো ! ওয়েট অ্যান্ড সি। ফিরহাদ হাকিম থেকে, সুজিত বসু থেকে রথীন ঘোষ থেকে দক্ষিণ দমদমের ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই থেকে ছাড় কেউ পাবেন না। কামারহাটির গোপাল সাহা থেকে ব্যারাকপুরের উত্তম দাস। ১৭ জন চেয়ারম্যান। ছাড় পাওয়ার কোনও জায়গা নেই। বিজেপিকে আনুন, মে মাস থেকে চোরেদের ডুগডুগি বাজিয়ে ছেড়ে দেব।"
২০২৩ সালের ২১ এপ্রিল কলকাতা হাইকোর্টের তৎকালীন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়েছিলেন, পুরসভার নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে প্রয়োজনে FIR দায়ের করে তদন্ত করতে পারবে CBI। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। বিচারপতি গঙ্গোপাধ্য়ায়ের রায় পুনর্বিবেচনার আর্জি জানানো হয়। সুপ্রিম কোর্ট অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়ে ওই মামলা হাইকোর্টে ফেরত পাঠায়। সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাস থেকে এই মামলা বিচারপতি অমৃতা সিন্হার এজলাসে স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু হাকিম বদলালেও হুকুম বদলায়নি। ১২ মে বিচারপতি অমৃতা সিন্হা জানিয়ে দেন, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডের তদন্তে করবে সিবিআই।






















