Chingrighata Metro: ১৮ মাসের আটকে থাকা কাজ শেষ হচ্ছে ১২০ ঘণ্টারও কম সময়ে! কতদূর এগোল চিংড়িহাটা মেট্রোর কাজ?
Chingrighata second phase work: প্রথম দফায় ৩১৭ ও ৩১৮ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় কংক্রিটের গার্ডার। শুক্রবার থেকে দ্বিতীয় দফায় ৩১৮ থেকে ৩১৯ নম্বর পিলার পর্যন্ত গার্ডার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে।

- চিংড়িঘাটা মেট্রোর দ্বিতীয় দফার কাজ দ্রুত গতিতে চলছে, সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত চলবে।
- ১৮ মাস ধরে stalled থাকা মেট্রোর কাজ নতুন সরকার আসার পর দ্রুত গতিতে শুরু হয়েছে।
- কাজ চলাকালীন ইএম বাইপাসে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হয়েছে, বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
- চিংড়িঘাটা মেট্রো চালু হলে নিউ গড়িয়া থেকে নিউ টাউন এবং বিমানবন্দর পর্যন্ত মেট্রো পরিষেবা মিলবে।
অরিত্রিক ভট্টাচার্য ও সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা: জোরকদমে চলছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর দ্বিতীয় দফার কাজ। চলবে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত। ইএম বাইপাসে করা হয়েছে যান নিয়ন্ত্রণ। প্রায় ১৮ মাস ধরে বিভিন্ন টালবাহানায় থমকে ছিল কাজ! আর সেটাই শেষ হতে চলেছে মাত্র ১২০ ঘণ্টারও কম সময়ে! সরকার বদলের পর বদলে গেল কাজের গতিও! যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চলছে চিংড়িঘাটা মেট্রোর দ্বিতীয় দফার কাজ। গত সপ্তাহে চিংড়িঘাটায় ৩৬৬ মিটার অংশের আটকে থাকা অংশের কাজ শুরু হয়।
প্রথম দফার কাজে কতটা অগ্রগতি?
প্রথম দফায় ৩১৭ ও ৩১৮ নম্বর পিলারের ওপর বসানো হয় কংক্রিটের গার্ডার। শুক্রবার থেকে দ্বিতীয় দফায় ৩১৮ থেকে ৩১৯ নম্বর পিলার পর্যন্ত গার্ডার বসানোর কাজ শুরু হয়েছে। নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের আমলে প্রায় দেড় বছর ধরে অনুমতি-জটে আটকে ছিল মেট্রো প্রকল্পের অরেঞ্জ লাইনের এই কাজ। মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে রাজ্য সরকারের টানাপোড়েনের জল গড়ায় হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। কিন্তু কাজ শুরু হয়নি। অথচ রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই তড়িঘড়ি কাজ শুরু হয়ে যায়। শুক্রবার রাত ৮টা থেকে চিংড়িঘাটায় মেট্রো প্রকল্পের দ্বিতীয় ধাপের কাজ শুরু হয়। চলবে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত।
কোন রাস্তা দিয়ে ঘোরানো হচ্ছে গাড়ি? কোন রাস্তাই বা খোলা?
দ্বিতীয় দফার কাজের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে উল্টোডাঙাগামী বাইপাসের মূল রাস্তা। সল্টলেক বা নিউটাউনের দিক থেকে আসা গাড়ি চিংড়িঘাটা মোড় থেকে শুধুমাত্র বাঁদিকে টার্ন নিতে পারবে। কিন্তু কোনও গাড়ি এখান থেকে ডানদিকে যেতে পারবে না। ডানদিকে যেতে হলে গাড়িগুলিকে মেট্রোপলিটন ক্রসিং থেকে ইউ টার্ন নিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি উল্টোডাঙার হাডকো মোড় থেকে বাইপাসের দিকে ঢুকতে পারবে না কোনও পণ্যবাহী গাড়ি। চিংড়িঘাটার এই কাজ শেষ হলে মেট্রো পরিষেবা পৌঁছে যাবে সেক্টর ফাইভ হয়ে নিউটাউনে। পুরো রুটে মেট্রো চললে নিউ গড়িয়া থেকে সরাসরি চলে যাওয়া যাবে বিমানবন্দর। কলকাতা মেট্রোরেল সূত্রে খবর, নিউ গড়িয়া থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত অরেঞ্জ লাইন ৩১ কিলোমিটার দীর্ঘ। চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে সেক্টর ফাইভ পর্যন্ত লাইন নিয়ে যাওয়া লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে।























