CM Suvendu Adhikari: শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ায় বাংলাদেশের জামাতিদের চিড়বিড়ানি অনেক বেশি হয়ে গেছে : মুখ্যমন্ত্রী
Suvendu Adhikari: মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, 'আরে ভাই আমি ভয় পাওয়ার লোক নই। মাথা নোয়ানোর লোকও নই। ভয় দেখানোর কোনও দরকার নেই।'

কলকাতা : ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সীমান্ত সুরক্ষা এবং অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে একাধিকবার কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকের পরই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে সীমান্তে কাঁটাতার দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় জমি দেওয়া হবে। সীমান্ত সুরক্ষিত করা এবং অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো প্রসঙ্গে সোমবার সন্ধ্যায় ক্যামাক স্ট্রিটে আয়োজিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ফের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রীর বলেন, 'বর্ডারকে সুরক্ষিত করা, অ-ভারতীয়দের দরজা দেখিয়ে দেওয়া, অনুপ্রবেশকারীদের হটাও... যাও যেখান থেকে এসেছিল সেই রাস্তা দিয়ে ফেরত যাও। বাংলাদেশে যাও। আরে এখানকার তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেস যত না চিড়বিড়ানি করছে, শুভেন্দু মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরে বাংলাদেশের জামাতিদের চিড়বিড়ানি অনেক বেশি হয়ে গেছে। আরে ভাই আমি ভয় পাওয়ার লোক নই। মাথা নোয়ানোর লোকও নই। ভয় দেখানোর কোনও দরকার নেই। বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, তা পুরো করার কাজ বিজেপির এই মুখ্যমন্ত্রী করবে। জাতি সবার আগে। দেশকে সুরক্ষিত রাখার কাজ বিজেপির এই সরকার করবে।'
সম্প্রতি পার্ক সার্কাসে পুলিশের উপর হামলা হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গেলে পুলিশের উপর ইট ছোড়া হয়। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ৪০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এর পাশাপাশি পার্ক সার্কাসের ঘটনায় কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহত ৩ পুলিশকর্মীর সঙ্গে দেখাও করেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই ধরনের ঘটনা, পুলিশের উপর আক্রমণ কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। এই ধরনের ঘটনায় রাজ্য সরকারের একটাই নীতি, 'জিরো টলারেন্স'। কোনওভাবেই এই ধরনের অশান্তির ঘটনা রেয়াত করা হবে না। পরিকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি বিজেপি সরকারের নজর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উপরও। ভাঙচুর, গুন্ডামি, তোলাবাজি, সিন্ডিকেটরাজ, জোরজুলুম থেকে শুরু করে পুলিশের উপর হামলার ঘটনা আর বরদাস্ত নয়, একথা বলেই সোমবার পার্ক সার্কাসে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
রবিবার দুপুরে অশান্ত হয় পার্ক সার্কাস। দুষ্কৃতী দৌরাত্মে রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। বেআইনি ভাবে রাস্তা অবরোধ করে একদম বিক্ষোভকারী। আর, তা তুলতে এলে পুলিশের উপর আক্রমণ করা হয়। পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। নাগাড়ে চলে ইটবৃষ্টি। পরিস্থিতি সামলাতে পাল্টা, লাঠিচার্জ করে পুলিশও। পার্ক সার্কাসের ঘটনায়, বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী ও দু-জন CRPF-এর জওয়ান আহত হয়েছেন। সোমবার, তাঁদের সঙ্গে কথা বলতে পার্ক সার্কাসে সাউথ ইস্ট ডিভিশনের DC-র অফিসে আসেন মুখ্যমন্ত্রী।
Before You Go
TMC News: শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের খেলার মাঠের ঘর থেকে উদ্ধার প্রচুর ত্রাণ সামগ্রী






















