CM Suvendu Adhikari: আজই দিল্লিতে বৈঠকে 'বিদ্রোহী'রা, বৈঠকে থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী
CM Suvendu Adhikari Delhi Meet Cancel: দিঘায় কর্মসূচি, দিল্লি যেতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী।

কলকাতা: আজই দিল্লিতে বৈঠকে 'বিদ্রোহী'রা, বৈঠকে থাকছেন না মুখ্যমন্ত্রী। দিঘায় কর্মসূচি, দিল্লি যেতে পারছেন না মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লির বৈঠকে থাকতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী, গতকালই দাবি করে তৃণমূলের বিদ্রোহী ব্লক শিবির। গতকাল রাতেই কাঁথি গেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
আরও পড়ুন, কলকাতা বিমানবন্দরের টার্মিনালের সম্প্রসারণ, যাত্রীদের ভিড় সামলাতে এবার বড় পদক্ষেপ কতৃপক্ষের
এবার বিদ্রোহী ব্লকে নাম লেখালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শতাব্দী রায়ের সঙ্গে গিয়ে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে। বৈঠক করলেন অমিত শাহর সঙ্গেও। বিজেপির পাশাপাশি তৃণমূল সাংসদের সমালোচনায় সরব হলেন কুণাল ঘোষ থেকে দেবাংশু ভট্টাচার্য। ভোটে পরাজয়ের পর থেকেই ভাঙছে তৃণমূল। একের পর এক ধাক্কা খাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু শনিবারের এই ছবিটাই কি, তাঁকে সব থেকে বেশি নাড়িয়ে দিল? কলকাতা থেকে দিল্লি হয়ে শতাব্দী রায়ের সঙ্গে গাড়িতে করে সোজা মোদি সরকারের হেভিওযেট মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সই করলেন তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের তালিকায়। তারপর দেখা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহু যুগের সঙ্গী, বহু ওঠাপড়ার সাক্ষী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বৃত্তের অন্যতম সদস্য সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান মুখ।
তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ বলেন, এই যে তাপস রায়কে চলে যেতে হল, কেন যেতে হয়েছে? তাপস রায়ে মতো একটা দক্ষ নেতা। এই সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় হোয়াটসঅ্যাপ করে করে, কেঁদে কেঁদে বলেছে, মমতা আমাকে উত্তর কলকাতার সভাপতি আবার করে দাও। সজল ঘোষ, তাঁর বাড়িতে পুলিশ দিয়ে দরজা ভাঙানো হয়েছে। একমাত্র কুণাল ঘোষ, ট্যুইট করে প্রকাশ্যে প্রতিবাগ করে, আমি দলের লাথি-ঝাঁটা খেয়েছি সেদিন। আজকে দেখুন, কে ভাল, কে খারাপ। তাপস রায়ের তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ ছিলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই তাপস রায় এখন শিল্পমন্ত্রী। আর সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লিতে বিজেপির হেভিওয়েট মন্ত্রীর বাড়িতে বৈঠন করলেন। দেখা করলেন অমিত শাহর সঙ্গে। নাম লেখালেন বিদ্রোহীদের ব্লকে। রাজনীতিতে সবকিছুই সম্ভব।
বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি তাঁকে নেবে কিনা আমি জানি না। তবে জনতা সুদীপকে ঘৃণা করে। এই দাদা-বৌদির পরিবারকে জনতা ঘৃণা করে। আমি ভাবি, মানুষের লোভ কত মানে, দীর্ঘমেয়াদি হয়, আজীবন থাকব। আচ্ছা, বউ তো কমসে কম পাঁচটা বছর (বিধায়ক) থাকবে। তাও এত লোভ! এরা স্বামী, স্ত্রীর বাইরে কিছু বোঝেনি, স্ত্রী স্বামীর বাইরে কিছু বোঝেনি।
Before You Go
Humayun Kabir: এবার কি হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা শুধুই সময়ের অপেক্ষা? | ABP Ananda






















