Suvendu Adhikari: ‘কয়লা পাচারের টাকা শাসকদলের প্রভাবশালীদের কাছে গেছে’ বিস্ফোরক শুভেন্দু
Coal Smuggling Case: প্রেক্ষাপটে কয়লা পাচারকাণ্ডে মুখ খুললেও, নাম না নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

কলকাতা: পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্য রাজনীতির তরজার কেন্দ্রবিন্দুতে কয়লা পাচারকাণ্ড। কয়লা পাচার নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ, কয়লা পাচারের হাজার কোটি টাকা গেছে প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে। কিন্তু, কোনও নাম নিলেন না শুভেন্দু। কার সম্পর্কে বলছেন, তাও খোলসা করলেন না। শুধুমাত্র ইঙ্গিত দিলেন!
কেন্দ্রবিন্দুতে কয়লা পাচারকাণ্ড: একযোগে কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্ত করছে দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সি ED এবং CBI। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তারা। অভিযান চালিয়েছে তৃণমূলের হেভিওয়েটমন্ত্রী মলয় ঘটকের বাড়িতে। কয়লা পাচার মামলায় CBI’এর জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক সওকত মোল্লাও। সবাই একযোগে দাবি করছে, কেন্দ্রীয় এজেন্সি রাজনৈতিক স্বার্থে ডেকে পাঠাচ্ছে। কয়লা পাচারের সঙ্গে তাঁদের কোনও সম্পর্ক নেই। এই প্রেক্ষাপটে কয়লা পাচারকাণ্ডে মুখ খুললেও, নাম না নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
বিস্ফোরক বিরোধী দলনেতা: এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “কয়লা দুর্নীতির সঙ্গে একটা বড় র্যাকেট যুক্ত আছে। এবং সেই র্যাকেটে রাজনৈতিক প্রভাবশালী লোকেরা যুক্ত আছে। ১২ ডিসেম্বর মামলা সুপ্রিমকোর্টে নির্দিষ্ট হয়েছে, সেই কারণে আমি ডিটেলস তথ্য-প্রমাণ আপনাদের কাছে বলছি না। এই মামলার মূল লাভবান, ১ হাজার কোটি টাকা গেছে, তাঁর লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস কোম্পানিতে গেছে। মামলা সুপ্রিমকোর্টে আছে ১২ ডিসেম্বর।’’
কয়লাকাণ্ডে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা Eastern Coalfields Limited বা ECL’এর বেশ কয়েকজন প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মী ও আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে CBI। ২০২০-২১ সাল থেকে বেআইনি কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা এদিন বলেন, “২৪০০ কোটি টাকার স্ক্যাম। আইটি রেড করেছিল, এবং ২৪০০ কোটি টাকার মধ্যে ১ হাজার কোটি টাকা প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির কাছে গেছে, যিনি এ’রাজ্যে কার্যত প্রশাসন-পুলিশ-শাসক দলকে নিয়ন্ত্রণ করেন।’’
পাল্টা চ্যালেঞ্জ তৃণমূলের: শুভেন্দু অধিকারীর দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে তৃণমূল। শাসক দলের প্রশ্ন, শুভেন্দু সব জানলে নাম কেন বলার সাহস দেখাচ্ছেন না? এবিষয়ে কলকাতার মেয়র তথা রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, “নাম করে বলুন, তারপর বুঝব বাপের ব্যাটা। তারপর, মানহানির মামলার তাড়ায় বাংলা ছেড়ে পালাতে হবে। নাম করে বলুন।’’
আরও পড়ুন: Suvendu Adhikari: শুভেন্দু অধিকারীকে শোকজ শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের
Before You Go
Taratala News: তারাতলায় ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের দেখতে SSKM-এ স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত






















