Cooch Behar TMC News : ভয়ঙ্কর অভিযোগ, একেবারে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পাকড়াও তৃণমূল নেতা
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রঞ্জিত দাসের কাছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে সাহেবগঞ্জ এলাকায় তাঁকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।

কলকাতা : কোচবিহারে আগ্নেয়াস্ত্র-সহ গ্রেফতার করা হল তৃণমূল কংগ্রেসের এক পঞ্চায়েত সদস্যকে। ধৃতের নাম রঞ্জিত দাস। সাহেবগঞ্জ থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রঞ্জিত দাসের কাছে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে বলে খবর পায় পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে সাহেবগঞ্জ এলাকায় তাঁকে আটক করে তল্লাশি চালানো হয়।
উদ্ধার দেশি পিস্তল ও গুলি
তল্লাশির সময় তাঁর কাছ থেকে একটি দেশি ৭ এমএম পিস্তল এবং ৪ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয় বলে দাবি পুলিশের। অস্ত্র উদ্ধারের পরই রঞ্জিত দাসকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।
তদন্তে নেমেছে পুলিশ
উদ্ধার হওয়া আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে এল, কী উদ্দেশ্যে তা রাখা হয়েছিল এবং এই ঘটনায় আরও কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে।
গ্রেফতার বরানগরের তৃণমূল কাউন্সিলর
অন্যদিকে গ্রেফতার হয়েছেন বরানগরের তৃণমূল কাউন্সিলর । তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন শান্তনু মজুমদার নামে ওই ব্যক্তি। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ রয়েছে। মহিলার বাড়িতে জোর করে ভাড়াটে ঢুকিয়ে দেওয়া, তারপর সেই বাড়িতে নিজেই ভাড়াটে ঢুকিয়ে মিটমাটে সালিশি সভাও করেন বলে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। তৃণমূল কাউন্সিলর শান্তনু মজুমদার ওরফে মেজ নামেও পরিচিত। অভিযোগ এলাকার বাসিন্দা এক মহিলার থেকে দফায় দফায় ৭০ হাজার টাকা তোলাবাজি করেছেন তিনি।
পূজালি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরও গ্রেফতার
ভোটের ফল বেরনোর পরপরই গ্রেফতার হন পূজালি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর।ভোটের ফল বেরনোর দুই দিন পর রাতে আমিরুল শেখ ইসলাম নামে ওই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তিনি অভিষেক বন্দ্য়োপাধ্য়ায়ের লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর। বছরখানেক আগে দমদম বিমানবন্দরে স্ক্যানিংয়ের সময় তাঁর ব্যাগ থেকে একটি খালি ম্যাগাজিন ও ৬ রাউন্ড গুলি উদ্ধার হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তৃণমূল কাউন্সিলর দাবি করেন যে, তাঁর কাছে বৈধ লাইসেন্স রয়েছে।
পুলিশ সূত্রে দাবি, তাঁকে কাগজপত্র পেশ করার জন্য় সময় দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ, ম্যাগাজিন ও গুলি সম্পর্কিত কোনও নথিই জমা দেননি তৃণমূল কাউন্সিলর। এই ঘটনার পর এয়ারপোর্ট থানায় অস্ত্র আইনে মামলা রুজু হয়। তার ভিত্তিতেই মঙ্গলবার রাতে তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।























