Dilip-Humayun Tussle : 'আজ পর্যন্ত নিজের এলাকার বাইরে বেরোননি', দিলীপের কটাক্ষের জবাবে হুমায়ুন বললেন, 'বাচালতা বেশি করেন'
Humayun Kabir : জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের দাবি, সমাবেশ হবে ১০ লক্ষ মানুষের, তাঁর দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বিভিন্ন দলের নেতাদের।

কলকাতা : তৃণমূল সরকারের মৃত্যুঘণ্টা বাজানোর হুঁশিয়ারি দিয়ে, ব্রিগেডে সভা করার কথা আগেই ঘোষণা করেছিলেন হুমায়ুন কবীর। মঙ্গলবার সাসপেন্ডেড তৃণমূল নেতা জানিয়ে দেন, ব্রিগেডে সভা হবে ২৫ থেকে ৩১ জানুয়ারির মধ্যে। জনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যানের দাবি, সমাবেশ হবে ১০ লক্ষ মানুষের, তাঁর দলে যোগ দেওয়ার সম্ভাবনা বিভিন্ন দলের নেতাদের। হুমায়ুনের এই ব্রিগেড সমাবেশের উদ্যোগকে কটাক্ষ করলেন দিলীপ ঘোষ।
দিলীপ বলেন, "আজ পর্যন্ত নিজের এলাকার বাইরে হুমায়ুন কবীর বেরোননি। ওঁর পার্টির কী ভবিষ্যৎ হবে, উনি কী চান, উনি তো সকালে একরকম বলেন, বিকালে একরকম বলেন। পয়েন্টও ঠিক নেই। এটা করলে তো মানুষ বিশ্বাস করবে না। যদি নতুন পার্টি করে লড়তে চান, ঠিক করুন। পরিষ্কার করে ঘোষণা করে দিন ওঁর কী উদ্দেশ্য। যারা চান তাঁরা তাঁকে সহযোগিতা করবেন। বাকি উনি মনে হয় দাম বাড়াচ্ছেন বা জল মাপছেন যে কার দিকে গেলে সুবিধা বেশি পাব। মাসখানেক হয়নি, ইতিমধ্যে উনি অনেক কিছু কথা বলেছেন, সেটা করেননি। ১০ লক্ষ যদি জোগাড় করতে পারেন, নিঃসন্দেহে একটা বড় শক্তি হিসাবে উঠে আসবে ওঁর পার্টি।"
পাল্টা জবাব দিয়েছেন হুমায়ুন কবীরও। তিনি বলেন, "দিলীপবাবু নিজেরই প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছেন বিজেপির কাছে। কারণ, ওয়েটিংয়ে আছেন তিনি। তিনি নিজের কথাটা আগে মানুষের কাছে পরিষ্কার করুন। যে, অমিত শাহ এসেছিলেন, তাঁকে আলাদা করে ডেকেছিলেন, আগামী দিনে তাঁকে তাঁর পুরনো জায়গা ফেরত দেবেন বা তাঁকে বাংলার একজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা হিসাবে মানুষের কাছে তুলে ধরবেন..সেটা বিজেপির লোক জানেন। ওঁর আমাকে নিয়ে এত চিন্তা করার দরকার নেই। আমি নৌশাদ নই। আমি বাংলার রাজনীতিতে দিলীপবাবুর থেকে অনেক আগে থেকে আছি। দিলীপ ঘোষকে মানুষ চিনেছেন ২০১৫ সালে। তার আগে ঝাড়গ্রামের মানুষ দিলীপ ঘোষকে চিনতেন। বা, আরএসেএসের যেখানে ক্যাম্প অফিস ছিল, সেসব জায়গায় দিলীপ ঘোষের পরিচিতি ছিল। ২০১৫ সালে বিজেপি দিলীপ ঘোষকে বাংলার মানুষের কাছে বিজেপির সভাপতি হিসাবে তুলে ধরে। দিলীপ ঘোষ বাচালতা বেশি করেন। এর কোনও জবাব হয় না। দিলীপ ঘোষ নিজের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে বিজেপির সঙ্গে কথা বলুক। তাঁকে আগামী দিনে বাংলার রাজনীতিতে কোনও জায়গা দেবে কি না সেটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ঠিক করবে। এখানে আমি ঠিক করার কেউ নই।"






















