Dilip Ghosh : দল ঘোষণা করার আগেই এই বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করলেন দিলীপ ! টিকিট নিশ্চিত?
এবার দলের আগেই বাঁকুড়ার বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা করে বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেই ফেললেন, বাঁকুড়া কেন্দ্রে কে হচ্ছেন বিজেপির প্রার্থী !

পূর্ণেন্দু সিংহ, বাঁকুড়া : রাজ্যে এখনও বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি । কে কাকে কোন আসনে প্রার্থী করবে, তা নিয়েও কিছু প্রকাশ্যে আসেনি! তা সত্ত্বেও বাঁকুড়ার ওন্দায় দেওয়াল দখলের লড়াই শুরু হয়ে যায়। শুধু প্রতীক এঁকেই, দেওয়াল লিখনে একে অপরকে আক্রমণ করতে শুরু করে দেয় তৃণমূল-বিজেপি । আর এবার দলের আগেই বাঁকুড়ার বিজেপির প্রার্থী ঘোষণা করে বিতর্কে জড়ালেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেই ফেললেন, বাঁকুড়া কেন্দ্রে কে হচ্ছেন বিজেপির প্রার্থী !
কার নাম করলেন দিলীপ ?
প্রাক্তন বিজেপি সাংসদের দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে বাঁকুড়া কেন্দ্রে দলের প্রার্থী হচ্ছেন বিদায়ী বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানা। মঙ্গলবার সন্ধেয় বাঁকুড়া শহর সংলগ্ন ধলডাঙ্গা মোড়ে দলীয় কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বাঁকুড়া কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থীর নাম আগাম ঘোষণা করে দিলেন দিলীপ ঘোষ। পাশাপাশি এবার এরাজ্যে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি, এমন দাবিও করতে শোনা যায় তাঁকে।
দলের আগে এভাবে তিনি কীভাবে বলে দিলেন প্রার্থীর নাম, প্রশ্ন করলে দিলীপ ঘোষ বলেন, তিনিই বর্তমান বিধায়ক । খুব এদিক-ওদিক না হলে দল জেতা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী বদল করে না। তাই তিনি নীলাদ্রিশেখর দানার নাম বলেছেন।
নীলাদ্রিশেখর দানা কী বলছেন ?
এ বিষয়ে বিজেপি বিধায়ক নীলাদ্রিশেখর দানার প্রতিক্রিয়া, কে প্রার্থী হবেন সেবিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে দল । কে কোথায় প্রার্থী হবেন, তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দলের নেতারা আছেন, শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার, দিলীপ ঘোষরা আছেন, মন্তব্য নীলাদ্রিশেখরের। অন্যদিকে, বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল। ভোটের আগে এসব বলে নিজের নম্বর বাড়ানোর চেষ্টা করছেন বলেও দিলীপ ঘোষকে কটাক্ষ করেছে রাজ্যের শাসক দল।
তবে শুধু বিজেপি নয়, তৃণমূলও কোনও কোনও কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার আগে সম্ভাব্য প্রার্থী কে হবেন , তা ধরে নিয়েছে। যেমন - প্রার্থী তালিকা ঘোষণার আগেই লাভলি মৈত্রের নামে প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে। সোনারপুর দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজপুর-সোনারপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে অরুন্ধতি মৈত্র ওরফে লাভলি মৈত্রের নামে দেওয়াল লিখন করেছেন কাউন্সিলর কৃষ্ণ মণ্ডলের। যা নিয়ে বিতর্কও শুরু হয়। তবে লাভলি জানান, এসব অতি উৎসাহী হয়ে কর্মীদের কাজ, পরে মুছে দেওয়া হয়েছে। তবে বিতর্ক তাতে থামছে না।























