Duttabad News: দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে চার্জশিট পেশ বিধাননগর পুলিশের, চার্জশিটে 'পলাতক' রাজগঞ্জের সদ্য প্রাক্তন BDO প্রশান্ত বর্মন
Gold Businessman Murder: বিধাননগর পুলিশের চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে ৫জনের নাম দেওয়া হয়েছে।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে চার্জশিট পেশ করেছে বিধাননগর পুলিশ। এই চার্জশিটে 'পলাতক' হিসেবে দেখানো হয়েছে প্রশান্ত বর্মনকে। বিধাননগর পুলিশের তরফে চার্জশিটে 'পলাতক' হিসেবে দেখানো হয়েছে রাজগঞ্জের সদ্য প্রাক্তন BDO প্রশান্ত বর্মনকে। অন্যদিকে জানা গিয়েছে, বিধাননগর পুলিশের চার্জশিটে অভিযুক্ত হিসেবে ৫জনের নাম দেওয়া হয়েছে। দত্তাবাদে খুন হয়েছিলেন স্বপন কামিল্যা নামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী। সেই ঘটনায় নাম জড়িয়েছিল রাজগঞ্জের তৎকালীন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল বিধাননগর পুলিশের তরফে। তাঁকে আত্মসমর্পণ করতেও বলা হয়েছিল আদালতের তরফে। এখন চার্জশিটে দেখানো হয়েছে যে তিনি 'পলাতক'।
কলকাতা হাইকোর্টে প্রশান্ত বর্মনের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়। এরপর বিধাননগর পুলিশের তরফে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ২৩ জানুয়ারির মধ্যে আত্মসম্পর্ণ করতে বলা হয় প্রশান্ত বর্মনকে। কিন্তু নির্দিষ্ট সময় পেরিয়ে গেলেও আত্মসমর্পণ করেননি তিনি। এর পরবর্তীতে বিধাননগর পুলিশের তরফে বিধাননগর গোয়েন্দা বিভাগ, যারা স্বপন কামিল্যা খুনের ঘটনার তদন্ত করছে, তারা একটি চার্জশিট পেশ করেছে। সেখানে যে ৫ জনের নাম রয়েছে তারা ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছে। খুন, অপহরণ, অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র-সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয়েছে এই ৫ জনের বিরুদ্ধে। আর প্রশান্ত বর্মন যেহেতু এখনও গ্রেফতার হননি, তাই তাঁর নাম চার্জশিটে 'পলাতক' হিসেবে দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
মেদিনীপুরের বাসিন্দা স্বপন কামিল্যা দত্তাবাদের দোকান ভাড়া নিয়ে সোনার দোকান চালাতেন। সেই স্বর্ণ ব্যবসায়ীকেই অপহরণ করে খুন করা হয় নিউটাউনে। গত ২৮ অক্টোবর, দত্তাবাদ থেকে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করা হয়। ২টি গাড়িতে করে আসেন কয়েকজন। একটি নীল বাতি লাগানো গাড়ি ছিল বলেও খবর পুলিশ সূত্রে। এরপর ৩০ অক্টোবর, নিউটাউন থেকে স্বপন কামিল্যার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করা হয়। অভিযোগ, নিউটাউনের একটি ফ্ল্যাটে বেধড়ক মারধর করা হয় স্বপন কামিল্যাকে। পুলিশের অনুমান, মারের চোটেই মৃত্যু হয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর। এরপর গাড়িতে করে দেহ ফেলে রেখে আসা হয়। পরে পুলিশ উদ্ধার করে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর ক্ষতবিক্ষত দেহ।
স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের ঘটনায় নাম জড়ায় বিডিও প্রশান্ত বর্মন-সহ বেশ কয়েকজন। তাঁর কয়েজন সহযোগীর নামও জড়িয়েছিল এই ঘটনায়। যবে থেকে এই বিডিও- র নাম জড়িয়েছে দত্তাবাদকাণ্ডে, ততবারই তিনি দাবি করেছেন, তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে, তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।






















