ED Raid : প্রোমোটার, ক্রিমিনাল ও পুলিশ মিলে সিন্ডিকেট ! শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস-এর বাড়িতে ED-র হানা
Santanu Sinha Biswas : গ্রেফতার হওয়ার পরও রেহাই নেই। সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে ফের এবার শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের কান্দির বাড়িতে ED-র হানা।

কলকাতা : গ্রেফতার হওয়ার পরও রেহাই নেই। সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে ফের এবার শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসের কান্দির বাড়িতে ED-র হানা।
আজ সাত সকালেই শান্তনুর কান্দির বাড়িতে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। সঙ্গে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। দরজা বন্ধ থাকায় প্রথমে ঢুকতে পারেনি ED। পরে তালা ভেঙে ভিতরে ঢোকেন আধিকারিকরা। সোনা পাপ্পু মামলায় ইতিমধ্যেই শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছে ED।
অন্যদিকে, এই একই মামলায় নড়ে-চড়ে বসেছে ED। শুক্রবার সকাল থেকে কলকাতার ৩ জায়গায় ED হানা দেয়। চক্রবেড়িয়া, রয়েড স্ট্রিট ও কসবা, ৩ জায়গায় চলছে ED-র তল্লাশি। চক্রবেড়িয়ায় ব্যবসায়ী অতুল কাটারিয়ার বাড়িতে হানা দেয় ED আধিকারিকরা। কসবায় কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের বাড়িতেও ED'র তল্লাশি। রয়েড স্ট্রিটের একটি হোটেলে চলছে ED অভিযান। আপাতত বাইরে থেকে হোটেলে প্রবেশ ও বাইরে বেরোনো আটকে দিয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
আরও পড়ুন - সোনা পাপ্পু মামলায় ফের ময়দানে ED, কলকাতা পুলিশের SI-এর বাড়ি সহ ৩ জায়গায় হানা
ইডি সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় লেনদেন সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য হাতে আসে। একাধিক সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার পাশাপাশি সেই সমস্ত টাকা বহু প্রভাবশালীদের কাছেও পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। এখানেই বার বার শান্তনুর নাম উঠে আসে। এই কারণেই আজ ফের ইডির তল্লাশি।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করেছিল ইডি। সোনা পাপ্পু সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। ৫ বার নোটিস পাঠানো হয়েছিল ইডি-র তরফে। হাজিরা এড়াচ্ছিলেন। কিন্তু হাজিরা দিতে গিয়েই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। ইডির দাবি, জিজ্ঞাসাবাদের সময় একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছিল। বলা হয়েছে, সোনা পাপ্পুদের সামনে রেখে কাউন্সিলরদের তোলাবাজির র্যাকেটে পুলিশ ম্যানেজ করতেন DCP শান্তনু সিনহা বিশ্বাস। প্রোমোটার, ক্রিমিনাল ও পুলিশ মিলে চলত বিশাল সিন্ডিকেট।
আরও পড়ুন - বহিষ্কার করল ক্যালকাটা পুলিশ ক্লাব, গ্রেফতার হওয়া পুলিশ কর্তাকে নিয়ে কী অবস্থান সিএবি-র?
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৮ মে গ্রেফতার হয়েছেন জাভেদ খান ঘনিষ্ঠ সোনা পাপ্পু। ইডি সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় লেনদেন সম্পর্কিত বেশ কিছু তথ্য হাতে আসে। একাধিক সংস্থার মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করার পাশাপাশি সেই সমস্ত টাকা বহু প্রভাবশালীদের কাছেও পৌঁছে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। গ্রেপ্তারের পরে গত মঙ্গলবার কলকাতার ইডি আদালতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। শান্তনু সিন্হা বিশ্বাস, সোনা পাপ্পু এবং জয় কামদার মিলে একটা চক্র গড়ে তুলেছিলেন বলে আদালতে দাবি করেছে ইডি।























