West Bengal News: ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে ৪৮০ কেন্দ্রীয় বাহিনী, কীভাবে মোতায়েন? বৈঠকে রাজ্য পুলিশ-নির্বাচন কমিশন
Central Force in Bengal: আজ রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে নির্বাচন কমিশন। সিইও মনোজ কুমার আগরওয়ালের নেতৃত্বে আজকের বৈঠক।

কলকাতা: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election) নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। একদিকে এসআইআর ইস্যু নিয়ে তপ্ত রাজনীতি আবার অন্যদিকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর চর্চা। জানা যাচ্ছে, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
আজ অর্থাৎ সোমবার দুই হাইভোল্টেজ বৈঠকের দিকে তাকিয়েছিল রাজ্যবাসী। এসআইআর শুনানির নিষ্পত্তি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে বৈঠক হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। এসআইআর শুনানির নিষ্পত্তি কীভাবে হবে? হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে তা নিয়ে বৈঠক হয়। অন্যদিকে, রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে রাজ্য এবং নির্বাচন কমিশনের বৈঠক। মূলত কোথায় কত কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন (Central Force Deployment) করা হতে পারে সেই বিষয়ে আলোচনা করতে মুখোমুখি দুই পক্ষ। জানা গেছে, মার্চ মাসেই রাজ্যে ২ দফায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসছে।
বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে বিস্তর আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ রাজ্যের পুলিশ-প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন। সিইও মনোজ কুমার আগরওয়ালের (CEO Manoj Kumar Agarwal) নেতৃত্বে আজকের বৈঠক। উপস্থিত রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক শীর্ষ আধিকারিক থেকে শুরু করে রাজ্য পুলিশের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক। জানা গেছে, ১ মার্চ ও ১০ মার্চ, এই দুই দফায় ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী আসতে চলেছে রাজ্যে। কোন জেলায় কত কেন্দ্রীয় বাহিনী, রাজ্য পুলিশের কত বাহিনী নির্বাচনে কাজ করার উপযুক্ত - ইত্যাদি বিষয়ে সার্বিক রিপোর্ট পর্যালোচনা করতেই এই বৈঠক।
সাধারণত, ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হওয়ার পরে এই ধরনের বৈঠক হয়ে থাকে। তবে এবছর চিত্রটা একেবারেই অন্য। ভোট ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা নিশ্চিতে জোর দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কোন কোন জেলায় কতগুলি স্পর্শকাতর বিধানসভা এলাকা রয়েছে, কোন জেলায় কত বাহিনী রাজ্য পুলিশ মোতায়েন সম্ভব ইত্যাদি বিভিন্ন তথ্য আজ রাজ্যের থেকে সংগ্রহ করবে নির্বাচন কমিশন। এর পাশাপাশি, কত সংখ্যক অপরাধী জামিনে মুক্ত, তাদের কী স্ট্যাটাস, তারা অন্য কোনও অপরাধের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে কি না - ইত্যাদি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চাইবে কমিশন। আসন্ন ভোটে কোনওরকম অশান্তি এড়াতে বিভিন্ন আন্তঃরাজ্য সীমান্ত এবং আন্তর্জাতিক সীমান্তগুলিতে কী ধরনের তল্লাশি অভিযান, সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা কতটা জোরদার - তা জানতেও তৎপর কমিশন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, এবছর নির্বাচন কমিশন রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করে ভোটের আগেই একটি ব্লু প্রিন্ট তৈরি করতে চাইছে। ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মধ্যে কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন হবে, এরপরে কি আরও কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন হবে ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় উঠে আসবে আজকের এই বৈঠকে।
























