Fake Documents: এইট পাশ বিদ্যাতেই পাসপোর্ট জালিয়াতির মাস্টার, চট্টগ্রামের চয়ন বড়ুয়া বাংলায় এসে হয়েছিলেন পলাশ বিশ্বাস
Fake Passport: চয়ন চট্টগ্রামের কক্সবাজারের বাসিন্দা। শিক্ষাগত যোগ্যতা, অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ। ২০২১ সালে অসম সীমান্ত দিয়ে বেআইনিভাবে ভারতে ঢোকেন তিনি। পলাশ বিশ্বাস নামে বানিয়ে ফেলেন ভারতীয় পরিচয়পত্র।

পার্থপ্রতিম ঘোষ ও সমীরণ পাল : চট্টগ্রামে নাম ছিল চয়ন বড়ুয়া। অনুপ্রবেশের পর নাম হয়ে গিয়েছিল পলাশ বিশ্বাস। এমনকি, দাড়ি-গোঁফ কেটে পাল্টে ফেলেছিলেন চেহারা। জাল পাসপোর্টকাণ্ডে এমনই তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। নুরুল থেকে নারায়ণ হয়ে ওঠার তথ্য সামনে এসেছে আগেই। এবার জানা গেল, চট্টগ্রামের চয়ন বড়ুয়া ভারতে ঢুকে হয়েছিলেন পলাশ বিশ্বাস। বাবা সুমন বড়ুয়া হয়ে যান হারান বিশ্বাস।
এইট পাশ বিদ্যাতেই পাসপোর্ট জালিয়াতির মাস্টার হয়ে উঠেছিলেন চয়ন। পুলিশ সূত্রে খবর, পাসপোর্ট চক্রের তদন্তে মধ্যমগ্রাম থেকে ধৃত ব্যক্তিকে জেরা করে বিস্ফোরক তথ্য উঠে এসেছে গোয়েন্দাদের হাতে। পাসপোর্ট জালিয়াতির তদন্তে মঙ্গলবার মধ্যমগ্রাম থানায় জিজ্ঞাসাবাদের পর এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তখন জানা যায়, তাঁর নাম পলাশ বিশ্বাস। পরে পুলিশ জানতে পারে, পরিচয় ভুয়ো। আসল নাম চয়ন বড়ুয়া। এমনকি বাবা সুমন বড়ুয়ার নামও বদলে হারান বিশ্বাস করে দেন তিনি।
চয়ন চট্টগ্রামের কক্সবাজারের বাসিন্দা। শিক্ষাগত যোগ্যতা, অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ। ২০২১ সালে অসম সীমান্ত দিয়ে বেআইনিভাবে ভারতে ঢোকেন তিনি। চুল ছেঁটে ভোল বদলে ফেলেন। পলাশ বিশ্বাস নামে বানিয়ে ফেলেন ভারতীয় পরিচয়পত্র। দিল্লি, চেন্নাই, কলকাতা, এমন একাধিক শহরে কাজ করেছেন। ইদানীং থাকছিলেন মধ্যমগ্রামে। পুলিশ সূত্রে খবর, ভারতীয় পরিচয়ে পাসপোর্টও বানিয়ে ফেলেছিলেন বাংলাদেশের বাসিন্দা চয়ন।
জালিয়াতি ফাঁস হয়ে যায় ভিসার আবেদন করতে গিয়ে। পাসপোর্টের আবেদনে নিজেকে চিৎপুরের কাশীপুরের ঘোষ বাগান লেনের বাসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করেন চয়ন। কিন্তু ঠিকানায় পিন দেওয়া হয় পঞ্চসায়রের।
অন্যদিকে, ভুয়ো নথি কাণ্ডেও চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে এসেছে পুলিশের। শুধু পরিচয়পত্র নয, তৈরি করা হত নকল শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র। পুলিশ সূত্রে খবর, গ্রেফতার হওয়া বিজেপি নেতা ইন্দ্রজিৎ দে-কে জেরা করে মিলেছে এইসব তথ্য। তার ফোন পরীক্ষা করে পাওয়া গেছে, আড়াই লক্ষ তিন লক্ষ টাকার বিনিময়ে এলএলবি, এলএলএম, বিটেক এমনকি, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকের জালসংসাপত্র তৈরি করে দিতেন ইন্দ্রজিৎ। যাদের এই ধরনের নকল শংসাপত্র তৈরি করা হয়েছিল তাদেরকে খুঁজছে পুলিশ। পাশাপাশি, এই ঘটনায় পুলিশ নজর পানশালার দিকে। বিভিন্ন পানশালার সঙ্গে যেহেতু যোগাযোগ ছিল ইন্দ্রজিতের তাই বাংলাদেশ থেকে নারী পাচার যোগ ছিল কিনা তাও খতিয়ে রাখা হচ্ছে।
আরও পড়ুন- রাতের শহরে ফের দুর্ঘটনা, বেপরোয়া ট্রাকের বলি স্কুটি চালক






















