BJP Candidate Controversy: যিনি বিজেপি প্রার্থী, তিনিই আবার প্রিসাইডিং অফিসার! ট্রেনিংয়ে না যাওয়ায় পেলেন নোটিস ও!
BJP Candidate as Presiding Officer: তিনি বিজেপির প্রার্থী! তিনিই আবার প্রিসাইডিং অফিসার! ভোটের প্রশিক্ষণে না যাওয়ায় ফালাকাটার বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মনকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন।

- বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মনকে প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগে বিতর্ক।
- প্রশিক্ষণে না যাওয়ায় নির্বাচন কমিশন দিল শোকজ।
- ভুলবশত নিয়োগ, তালিকা থেকে বাদ দেবেন নির্বাচন কমিশন।
- ঘটনা নিয়ে সরব তৃণমূল, শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক।
অরিন্দম সেন, কলকাতা: বিজেপি প্রার্থীকে করে দেওয়া হয়েছে প্রিসাইডিং অফিসার। পোলিং অফিসারদের ট্রেনিংয়েও তাঁকে বারবার ডাকা হচ্ছে। সেই ট্রেনিংয়ে না যাওয়ার জন্য আবার কারণ দর্শানোর নোটিসও দেওয়া হয়েছে ফালাকাটার বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মনকে। এই ঘটনা সামনে আসতেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। যদিও নির্বাচন কমিশনের দাবি, এটি পদ্ধতিগত ত্রুটি। বিজেপি প্রার্থীর নাম প্রিসাইডিং অফিসারের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন জেলা নির্বাচনী আধিকারিক।
তিনি বিজেপির প্রার্থী! তিনিই আবার প্রিসাইডিং অফিসার! ভোটের প্রশিক্ষণে না যাওয়ায় ফালাকাটার বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মনকে শোকজ করেছে নির্বাচন কমিশন। এমনই ঘটনা ঘটেছে আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটায়। আলিপুরদুয়ারের ফালাকাটার বিদায়ী বিজেপি বিধায়ক দীপক বর্মন। তিনি ফালাকাটার দেওগাঁও হাইস্কুলে প্রধান শিক্ষক পদে চাকরি করেন। এবারও ওই কেন্দ্রে দীপক বর্মনকে প্রার্থী করেছে বিজেপি। ১৬ মার্চ তাঁর নাম বিজেপির প্রার্থী তালিকায় প্রকাশ হয়। তাঁর আগেই শিক্ষক দীপক বর্মনকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিযুক্ত করে নির্বাচন কমিশন।
আসল ঘটনা কী? কী বলছেন প্রতিনিধি?
বিষয়টি নিয়ে ফালাকাটার বিজেপি প্রার্থী বলছেন, 'নির্বাচন কমিশন আমাকে ডিউটি দিয়েছে আমি একজন শিক্ষক বলে। তাদের জানিয়েছি সেই বিষয়টা। সেই বিষয়টা এখনও নিষ্পত্তি হয়নি। আশা করি তারা নিষ্পত্তি করে দেব দ্রুত।' বিজেপির প্রার্থী ঘোষণার পরেও ভোটকর্মী হিসেবে রয়ে যায় দীপক বর্মনের নাম। ৪ এপ্রিল ভোটের প্রশিক্ষণে ডাকা হয় প্রিসাইডিং অফিসার দীপক বর্মনকে। প্রশিক্ষণে যোগ না দেওয়ায় তাঁকে শোকজও করা হয়। দীপক বর্মণ বলছেন, 'প্রথমবার ডিউটিতে না গেলে শোকজ করে এটাই স্বাভাবিক। বিডিওকে দিয়েছি। বিডিও সেগুলো প্রসেসিং করেছে। এবার হয়তো সেটা একটু লেট হচ্ছে বা করছে না বা কিছু একটা হবে। আমার মনে হয় না কোনও সমস্যা আছে।'
আলিপুরদুয়ারের জেলা নির্বাচনী আধিকারিক ময়ূরী বসু বলছেন, 'আমরা চেষ্টা করছি যারা কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত তাদের আমরা যুক্ত করছি না। ওটা সিস্টেম জেনারেট। নাম ধরে ধরে আমরা চেক করি না। ওটা আমরা বাদ দিয়ে দেব।' এই ঘটনা সামনে আসতেই এ নিয়ে সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রথম দফায় ২৩ এপ্রিল ভোট আলিপুরদুয়ারে। ভোটের ৯ দিন আগে এ নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে উত্তরবঙ্গের এই কেন্দ্রে।























