Kolkata Fire : ঘরেই আটকে গোটা পরিবার, দাউ দাউ করে আগুন ধরল ফ্ল্যাটে, ভয়ঙ্কর ঘটনা মল্লিকবাজারে
দমকল আসার আগে, আগুন নেভাতে কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েন, এলাকার মানুষই। হাত লাগান আগুন নেভানোর কাজে।

সুদীপ্ত আচার্য, কলকাতা : প্রজাতন্ত্র দিবসের সকাল থেকে খবরের শিরোনামে আনন্দপুরে একটি গোডাউনে আগুন লাগার ঘটনা। রবিবার রাত পেরিয়ে সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত, আনন্দপুরের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে রীতিমতো বেগ পেতে হয় দমকলকর্মীদের। তার মাঝেই ফের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটল মল্লিকবাজারের একটি ফ্ল্যাটে। বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ এজেন্সি বোস রোডের মন্দির গলি একটি ফ্ল্য়াটের দ্বিতীয় তলে আগুন লাগে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেসময় বাড়িতে ছিলেন এক বৃদ্ধা-সহ ৪ জন। দ্রুত তাঁদের উদ্ধার করে নামিয়ে আনা হয়। দমকল আসার আগে, আগুন নেভাতে কোমর বেঁধে ঝাঁপিয়ে পড়েন, এলাকার মানুষই। হাত লাগান আগুন নেভানোর কাজে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা জানালেন, এলাকার মানুষই সাহায্যে এগিয়ে এসেছেন। কিন্তু আগুন নিভছিল না। পরে দমকল আসে। ওই বাড়িতে এক দম্পতি তাঁদের শিশুকে নিয়ে থাকতেন, সঙ্গে থাকতেন বৃদ্ধা মা-ও। পুলিশ এসে প্রথমেই তৎপরতার সঙ্গে পাশাপাশির বাড়িগুলি খালি করে দেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন, স্থানীয় ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মঞ্জুর ইকবাল। শেষমেশ দেড় ঘণ্টা ধরে ৪টি ইঞ্জিনের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কীভাবে আগুন লাগে, খতিয়ে দেখা যাচ্ছে।
এদিন সকালেই কলকাতার আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদে ভয়াবহ আগুন লাগে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আগুন বাড়তে থাকে। গোডাউনের বিস্তীর্ণ অংশ জ্বলে পুড়ে খাক হয়ে যায়। ধৌঁয়ায় ঢেকে যায় এলাকা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালায় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। ৬ জন নিখোঁজ বলে জানিয়েছে দমকল। নিখোঁজদের মধ্যে ২ জন খাদ্য সামগ্রী সরবরাহকারী সংস্থার গোডাউনের কর্মী ও একজন নিরাপত্তারক্ষী, বাকি তিনজনের পরিচয় ওখনও জানা যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে খবর, সোমবার ভোরে প্রথমে ডেকরেটার্সের গোডাউনে আগুন লাগে। চোখের নিমেষে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের খাদ্য সামগ্রী সরবরাকারী সংস্থার গোডাউনে ও একটি মেসে। এদিন দুপুরে ঘটনাস্থলে পৌঁছন অরূপ বিশ্বাস। নিখোঁজ কর্মীদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। এদিকে, অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজ্য় প্রশাসনকে আক্রমণ করতে ছাড়েনি বিজেপি। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, 'সরকার থাকলে তো আগুন নেভাবে। সরকার নেই। ছুটি কাটাচ্ছে প্রজাতন্ত্র দিবসে।'
কিন্তু রাজনীতি থাকবে রাজনীতির জায়গায়, দোষ ঠেলাঠেলির পালাও চলবে। কিন্তু যে প্রাণগুলোর খোঁজ নেই , তাঁদের পরিবারের কী হবে? আতঙ্কে কাঁটা হয়ে রয়েছেন তাঁরা ।
Before You Go
Rudranil Ghosh: দফায় দফায় বর্ষণের জের, জলমগ্ন হাওড়ার জগাছা, ঘুরে দেখলেন শিবপুরের MLA






















