Hooghly News: মুম্বইয়ে রহস্যমৃত্যু চুঁচুড়ার সঙ্গীতশিল্পীর ! ফিরল কফিনবন্দী দেহ ; যোগাশ্রম কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় প্রশ্ন
Hooghly Singer's News: মুম্বই থেকে চুঁচুড়ায় ফিরল তরুণীর কফিনবন্দী দেহ। যোগাশ্রম কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় প্রশ্ন মৃতের পরিবারের।

চুঁচুড়া (হুগলি) : মুম্বইয়ে রহস্যমৃত্যু চুঁচুড়ার সঙ্গীতশিল্পী সঙ্গীতা চক্রবর্তীর। অবসাদ কাটাতে সম্প্রতি মুম্বইয়ের এক যোগাশ্রমে গেছিলেন চুঁচুড়ার ওই সঙ্গীতশিল্পী। বাঁধ থেকে জলে পড়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানানো হয়েছে, এমনই দাবি করছে তরুণীর পরিবার। মুম্বই থেকে চুঁচুড়ায় ফিরল তরুণীর কফিনবন্দী দেহ। যোগাশ্রম কর্তৃপক্ষের ভূমিকায় প্রশ্ন মৃতের পরিবারের।
সঙ্গীর শিল্পীর বাবা কল্লোল চক্রবর্তী বলেন, "আমার মেয়ে নেপাল গিয়েছিল অনুষ্ঠান করতে। নেপাল থেকে বাড়ি ফেরার কথা। কিন্তু, ফেরেনি। বলল, মুম্বইয়ে আছি, দু'দিন ঘুরতে। কিন্তু, আমরা পরে জানতে পারলাম, মুম্বইয়ের যে ইন্সটিটিউটটা ওখানে যোগ শেখানো হয়। ব্রায়ান কচ নামে একজনের সঙ্গে ওড়িশার কনফারেন্সে গিয়ে পরিচয় হয়েছিল মেয়ের। কথাবার্তা হওয়ার পরে উনি ফ্লাইটের টিকিট পাঠিয়ে দিয়েছিলেন। আমরা কিছু জানতাম না। বলেছিলেন, এখানে যোগাসন করুন, তাহলে ওষুধ ছেড়ে দিতে হবে। সোমবার দিনে ওর মায়ের সঙ্গে ৩টে-সাড়ে ৩টে নাগাদ ফোনে কথা হয়। ওরা দুই বন্ধু, পাঞ্জাবের মেয়ে বাঁধে যায়। গর্ত বা পাথরের খাঁজ কিছু একটা ছিল। ওঁদের বক্তব্য অনুযায়ী। ভিডিওটা যখন...ওর মোবাইল, ল্যাপটপ নিয়ে আসা হল থানায়, দেখা গেল ১৯ মিনিটের ভিডিও। তাতে মাত্র ৭ মিনিট এসেছে। ১৯ মিনিটের ভিডিও থেকে যেন এক মিনিটও ডিলিট না হয়। আমার মেয়েকে, অভিভাবকের অনুমতি না নিয়ে আপনি নিয়ে গেলেন। আপনি আশ্রমের ইনচার্জ। আপনার দায়িত্ব নেই, দু'টো মেয়ে সন্ধেবেলায় বেরিয়ে গেল বাঁধের জলে লাফালাফি করতে ! ব্রায়ান লোকটা প্রভাবশালী লোক। খুব ভয়ঙ্কর লোক।"
মৃত সঙ্গীতশিল্পীর প্রতিবেশী সুজনবন্ধু ঘোষ বলেন, "আমরা যেটা শুনলাম, মহারাষ্ট্রের একটা গানের টিমের সঙ্গে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে একটা জায়গায় হয়তো বন্ধুরা মিলে আবার বেরিয়েছিল। সেখানে একটা বাঁধ বা নদীতে নাকি ও তলিয়ে যায়। এই অবধি খবর পেয়েছি।" চুঁচুড়ার তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার বলেন, "পোস্টমর্টেম হওয়ার আগে পর্যন্ত যা খুশি তাই বলা ঠিক নয়। যদি বাঙালি হওয়ার অপরাধে তাঁর ভিন্ন রাজ্যে থাকার কারণে কোনও অসুবিধা হয়ে থাকে বা মৃত্যু হয়ে থাকে, আমরা তাঁর পরিবারের পাশে আছি এবং লড়াই আমরা লড়ব। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জানাব। তিনিও যাতে মুম্বই পুলিশের সঙ্গে তাঁর দফতরের মাধ্যমে কথা বলে যে, কেন এমন ঘটল তার সত্য যেন উদঘাটিত হয়।"






















