Humayun Kabir: চেক বাউন্স বিতর্কে হুমায়ুন কবীর, AJUP বিধায়কের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ মহামেডান ক্লাবের
Humayun Kabir News: রাজনীতির ময়দানে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। এবার খেলার ময়দানে কথার খেলাপে অভিযুক্ত আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।

সৌমিত্র রায়, কলকাতা : চেক বাউন্স বিতর্কে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। মহামেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, আর্থিক সমস্য়া মেটাতে ১৫-২০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন হুমায়ুন। এরপর তাঁকে ক্লাবের প্রেসিডেন্টও করা হয়। কিনতু, তাঁর দেওয়া দেড় কোটি টাকার চেকই বাউন্স করে। এই প্রেক্ষাপটে বিধায়ককে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে ক্লাব কর্তৃপক্ষ। যদিও বিতর্কের মুখে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। রাজনীতির ময়দানে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ বিস্তর। এবার খেলার ময়দানে কথার খেলাপে অভিযুক্ত আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীর।
রাজনীতিতে তিনি অনেক স্য়ুইং দিয়েছেন। এবার তাঁর বাউন্স, মানে চেক বাউন্সে বিপাকে পড়েছে মহামেডান ক্লাব। মহামেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষের বক্তব্য়, বেশ কিছুদিন ধরে ইনভেস্টর সংক্রান্ত সমস্য়ায় ভুগছিলেন তাঁরা। খেলোয়াড় এবং কর্মীদের প্রাপ্য় টাকা বকেয়া ছিল। মহামেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষের দাবি, হুমায়ুন কবীর ১৫-২০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। এরপর ৬ জুন হুমায়ুন কবীরকে ক্লাবের প্রেসিডেন্ট করা হয়। ৩০ জুলাই হুমায়ুন কবীর ৫০ লক্ষ টাকার তিনটি অর্থাৎ দেড় কোটি টাকার চেক দেন।
মন্ত্রীর ছেলেকে কিডন্যাপের ছক কষতেই হামিম-আদিত্যর যোগাযোগ, চাঞ্চল্যকর তথ্য বেঙ্গল STF- এর হাতে
ক্লাব কর্তাদের অভিযোগ, তাঁরা ব্য়াঙ্কে চেক জমা করতে গেলে ৩টি চেকই বাউন্স করে। মহামেডান ক্লাব কর্তৃপক্ষের আরও অভিযোগ, বুধবার অর্থাৎ ৫ অগাস্টের মধ্য়ে অন্তত অর্ধেক টাকা মিটিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন হুমায়ুন। কিন্তু, এখনও তাদের হাতে কোনও টাকাই আসেনি। এই প্রেক্ষাপটে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ককে আইনি নোটিস পাঠিয়েছে মহামেডান ক্লাব। সেই সঙ্গে ১০ অগাস্টের ডেডলাইন বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তার মধ্য়ে টাকা না দিলে তাঁর বিরুদ্ধে ব্য়বস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।
যদিও, হুমায়ুন কবীরের দাবি, তিনি কখনওই ১৫-২০ কোটি টাকা দেওয়ার কথা বলেননি। আর তিনি যে তারিখে চেক জমা করতে বলেছিলেন, ক্লাব কর্তৃপক্ষ তার আগেই চেক জমা করেন। সেই কারণেই সমস্য়া হয়েছে। এবার ক্লাবের আইনি নোটিসের প্রেক্ষিতে পাল্টা বৈঠক ডাকার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। হুমায়ুন বলেছেন, '৯ তারিখ মিটিং ডাকব। তারপর সিদ্ধান্ত নেব। সেখানে যা বলার বলব। ওরা যা তা বলতে পারে না।' অন্যদিকে, মহামেডান ক্লাবের সচিব ওয়াসিম আক্রম বলেছেন, 'উনি মিটিং করবেন কার সঙ্গে? ওনাকে কেউ ভরসা করছে না। উনি তো বেপাত্তা। ৫ তারিখ না দিলে ৬ তারিখ মিটিং ডেকে সিদ্ধান্ত নিয়ে নেব।'























