Minister Son Kidnap: মন্ত্রীর ছেলেকে কিডন্যাপের ছক কষতেই হামিম-আদিত্যর যোগাযোগ, চাঞ্চল্যকর তথ্য বেঙ্গল STF- এর হাতে
Terrorist Hamim Mondal Arrest: বর্ধমান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে। এরপর ঝাড়খণ্ড থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে। তারপর হাওড়া থেকে গ্রেফতার হয় আদিত্য সিংকে।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : পুর প্রতিমন্ত্রী উমেশ রাইয়ের পুত্রকে অপহরণের ষড়যন্ত্র করেছিল ধৃত জঙ্গি হামিম মণ্ডল, এই তথ্য আগেই প্রকাশ্যে এসেছে। এবার জানা গিয়েছে, অপহরণের ছক কষতেই আরেক ধৃত আদিত্য সিংয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল হামিম। এনক্রিপ্টেড চ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ হয়েছিল হামিম ও আদিত্যর। ৫ বার VoIP কলের মাধ্যমে কথা হামিম ও আদিত্যর, দাবি বেঙ্গল STF- এর তদন্তকারীদের। জঙ্গি-যোগের অভিযোগে ধৃত আদিত্য সিংয়ের ফোন খুঁটিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দেখছেন তদন্তকারীরা। আদিত্যর সঙ্গে হামিমের কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। হামিম ছাড়া আর কারও সঙ্গে আদিত্যর যোগাযোগ ছিল কিনা, সেটাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বেঙ্গল এসটিএফ।
বর্ধমান থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল জঙ্গি হামিম মণ্ডলকে। এরপর ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল হামিমের বান্ধবী অর্পিতা সরকারকে। তারপর হাওড়ার বেলিলিয়াস রোড থেকে গ্রেফতার করা হয় আদিত্য সিংকে। চারদিনের মধ্যে এই তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আপাতত এই তিনজন বেঙ্গল এসটিএফ- এর হেফাজতে রয়েছে। বেঙ্গল এসটিএফ সূত্রে খবর, একবার নয়, হামিম এবং আদিত্যর যোগাযোগ হয়েছিল একাধিকবার। এনক্রিপ্টেড চ্যাট সার্ভিস, মেসেঞ্জার সার্ভিস- এর মাধ্যমে কথোপকথন হয় আদিত্য এবং হামিমের। যথেষ্ট ভালভাবে যোগাযোগ ছিল তাদের। সাম্প্রতিক সময়ে ৫-৭ বার ভয়েস ওভার আইপি কলের সাহায্যে যোগাযোগ করে হামিম ও আদিত্য। কোনওভাবেই যাতে ফোনকল ট্রেস করা না যায়, পুলিশের চোখে ধুলো দিতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। বেশ অনেকদিন ধরেই যথেষ্ট ভাল যোগাযোগ ছিল হামিম এবং আদিত্যর।
এর পাশাপাশি জানা গিয়েছে, রাজ্যের পুর প্রতিমন্ত্রী এবং হাওড়ার বিধায়ক উমেশ রাইয়ের ছেলেকে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে অপহরণের ছক কষেছিল অভিযুক্তরা। হানিট্র্যাপের ব্যাপারে যুক্ত ছিল হামিমের বান্ধবী অর্পিতা। আর অপহরণের ছক কষেছিল হামিম ও আদিত্য। আর সেই কারণেই তাদের দু'জনের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ হয় এনক্রিপ্টেড কল ও চ্যাট সার্ভিসের মাধ্যমে যা কেউ তা বুঝতে না পারে। হামিম এবং আদিত্যর মধ্যে কোনও আর্থিক লেনদেন হয়েছিল কিনা, আদিত্য টাকার বিনিময়ে কাজ করেছে কিনা, টাকা কোন মাধ্যমে পেমেন্ট হয়েছিল, এই টাকা পাকিস্তান থেকে এসেছিল কিনা, কোনও জঙ্গি সংগঠন টাকা দিয়েছিল কিনা - সব দিকই খতিয়ে দেখছে বেঙ্গল এসটিএফ।























