Humayun Kabir : 'বাবরি মসজিদের' শিলান্যাসে কত লোক এসেছিল ? যা দাবি করলেন হুমায়ুন...
Babri Masjid : ঘোষণা আগে করেছিলেন। সেইমতো মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত 'বাবরি মসজিদের' শিলান্যাস করলেন হুমায়ুন কবীর।

রেজিনগর : এককথায়, লোকে লোকারণ্য। এদিন মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস অনুষ্ঠানে যথেষ্ট ভিড় হল। কিন্তু, কত ভিড় হয়েছে আজ ? এই প্রশ্নের জবাবে হুমায়ুন কবীর বললেন, "৪ লক্ষ তো হবেই। কম করে ৪ লক্ষ মানুষ এসেছে। আমার ধারণা ছিল, ২ লক্ষ লোক আসবে। কিন্তু, আরও ৫০ হাজার লোক বাড়ত। উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি...প্রশাসনের একটা অংশ অনেক চমকেছে। অনেক লোক বাস ভাড়া করেছে, তাদের বলেছে, কোথায় যাবি ? ওরা বলেছে, মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদে। তো, প্রশাসন তাদের বসিয়ে রেখেছে।"
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক বলেন, "আমার এখানে হরিহরপাড়ার একটা ছেলে...আসিক ইকবাল। তিনি শুধু ফেসবুকে বা ভিডিও করে বলেছিলেন যে, হরিহরপাড়ার হাজার হাজার লোককে বেলডাঙার এই বাবরি মসজিদের ভিত্তি স্থাপনে যেতে হবে। তাঁকে কাল সকালে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে...এখানে যে অরূপ রায় ডিউটি করতে এসেছেন...ওঁর পুলিশ তাঁকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে...সকালে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল, এখনও ছাড়েনি। তাঁর বউ আমার কাছে কান্নাকাটি করছেন।"
ঘোষণা আগে করেছিলেন। সেইমতো মুর্শিদাবাদে প্রস্তাবিত 'বাবরি মসজিদের' শিলান্যাস করলেন হুমায়ুন কবীর। এদিন রেজিনগরে, বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন ভরতপুরের সাসপেন্ডেড তৃণমূল বিধায়ক। শুধু ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনই নয়, এই উপলক্ষে আয়োজিত সভা থেকে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে। হুমায়ুন বলেন, "২০১১-তে ১৩ মে যেদিন রেজাল্ট হয়েছিল, সেদিন ৬৭ জন মুসলমান বিধায়ক ছিলেন। পুরো ৫ বছর ক্ষমতাপন্ন হওয়ার পর ২০১৬-তে সেটা নেমে এল ৫৭-তে। ২০২১-এ সেটা চক্রান্ত করে নামিয়ে আনলেন মাত্র ৪৪ জনে। আমি মুসলমান সমাজের কাছে একটাই কথা বলব, আপনারা যাকে খুশি যত মুসলমানদের ভোট দিয়ে বিধানসভায় পাঠান। ২৯৪-এর মধ্যে যে বাকি ২০৪টা থাকবে সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে লড়াই হোক। তারা কে সরকারে আসবেন হিন্দু সভা সিদ্ধান্ত নিক। তারা সরকারে থাকুক। আমরা বিরোধী আসনে থাকব। বিধানসভায় ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে অধিকার বুঝে নেব, উন্নয়ন বুঝে নেব। এটাই আমার টার্গেট।" হুমায়ুনের দাবি, বাবরি মসজিদ নির্মাণে টাকার অভাব হবে না। রাজ্যের প্রায় সব জেলা থেকে বহু মানুষ আর্থিক সাহায্য করবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি সংস্থা নাকি ৮০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তাঁকে।






















