Sashi Panja: 'লাইনে দাঁড়াব, বিশেষ সুবিধা চাই না! কিন্তু নির্বাচন কমিশনের ভুলের জন্য সাধারণ মানুষ ভুগছেন', SIR শুনানিতে ডাক পেয়ে বললেন শশী পাঁজা
Shashi Panja News: শ্যামপুকুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ককে দুপুর ২টোর সময় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে কেশব অ্যাকাডেমিতে

- নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজাকে SIR-এর শুনানিতে ডাকা হয়েছে।
- রাজ্যের আরও দুই বিধায়ক, তাজমুল হোসেন ও নৌশাদ সিদ্দিকিও ডাক পেয়েছেন।
- মন্ত্রী পাঁজাকে তাঁর ও আত্মীয়দের তথ্য জমা দেওয়ার নোটিস দেওয়া হয়।
- তিনি নির্বাচন কমিশনের অ্যাপের ত্রুটির জন্য সাধারণ মানুষ হেনস্থার শিকার হচ্ছেন বলেন।
কলকাতা: SIR-এর শুনানিতে ডাক পেলেন রাজ্যের নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী শশী পাঁজা। শ্যামপুকুর বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ককে দুপুর ২টোর সময় হাজিরা দিতে বলা হয়েছে কেশব অ্যাকাডেমিতে। এর আগেও SIR-শুনানিতে ডাক পড়েছে একাধিক জন প্রতিনিধি থেকে শুরু করে সমাজের বিশিষ্টজনের। নোটিস পেয়েছেন সংখ্যালঘু উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রী ও মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরের তৃণমূল বিধায়ক তাজমুল হোসেন। আগামী বৃহস্পতিবার হরিশ্চন্দ্রপুর ১ নম্বর BDO অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে। SIR-শুনানিতে ডাক পড়েছে ভাঙড়ের ISF বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকির। মঙ্গলবার তাঁকে হাজিরা দিতে হবে জাঙ্গিপাড়া BDO অফিসে। SIR-শুনানির নোটিস পেয়ে গত সোমবার রামপুরহাট ২ নম্বর বিডিও অফিসে হাজিরা দেন তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ও ওয়েস্ট বেঙ্গল মাইগ্রেন্ট ওয়ার্কার ওয়েলফেয়ার বোর্ডের চেয়ারম্যান সামিরুল ইসলাম। এবার SIR-এর শুনানিতে ডাকা হল মন্ত্রী শশী পাঁজাকে।
এদিন বিধায়ক সাংসদ নিমতলার একটি কর্মসূচীতে যোগ দিতে এসে SIR শুনানিতে ডাক পড়া নিয়ে বলেন, '২০০২-এর তালিকায় আমার নাম রয়েছে। কিন্তু নোটিসে আমায় বলা হয়েছে, আমি আমার ও আমার আত্মীয়ের সম্পর্কে কিছু তথ্য দিইনি। আমি ২০০২-এর কাগজ নিয়ে যাব। এই সমস্যাটা সম্পূর্ণ নির্বাচন কমিশনের। যদি অ্যাপ আপডেট করা থাকত, তাহলে তো অ্যাপের মধ্যেই সমস্ত তথ্য থাকার কথা। ২০০২ সালে যখন আমার নাম রয়েছে, সেখানে তো আমার আর নতুন করে কোনও তথ্য দেওয়ার প্রয়োজনই পড়ে না। এটা অসম্মানজনক আর অপমানজনক তো বটেই। কিন্তু এটা শুধু ব্যক্তি আমার বলে নয়, এইভাবেই একজন সাধারণ মানুষ, একজন সাধারণ ভোটার হেনস্থার মুখোমুখি হচ্ছেন।'
এদিন শশী পাঁজা আরও বলেন, 'আমার ঠিকানাও পরিবর্তন হয়নি। আমার ২ সন্তান। তাঁরা সম্পর্কের জায়গায় আমার স্বামীর কথাই লিখেছে। আমি বিয়ে করে এই বাড়িতে আসার পরে ভোটও দিয়েছি। সাধারণ মানুষ যেমন হিয়ারিং-এর লাইনে দাঁড়িয়ে কাগজ জমা দিচ্ছেন, আমি ও দেব। আমার কোনও বিশেষ সুবিধার দরকার নেই। কিন্তু আমার জন্য হিয়ারিং সেন্টার বেশি দূরে নয়। আমি তো আমার এলাকাতেই থাকি। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের এই গলদের জন্য, সাধারণ মানুষদের হেনস্থা হতে হচ্ছে। কারণ নির্বাচন কমিশনের অ্যাপটাই সঠিকভাবে কাজ করছে না। প্রচুর মানুষ, ২০-৩০ কিলোমিটার যাচ্ছেন এমন একটা কাজের জন্য, যার জায় নির্বাচন কমিশনের। সাধারণ মানুষের নয়।'





















