India Pakistan Conflict: 'কোনও যুদ্ধই হয়নি, দু-একটা মিসাইল ওদিকে গিয়েছে, কোথায় জঙ্গিঘাটি ধ্বংস ?' ; কেন্দ্রের কাছে 'প্রমাণ' চাইলেন সৌগত রায়
Sougata Attacks Modi Govt On India Pakistan Conflict: কেন্দ্রের মোদি সরকারের কাছে প্রত্যাঘাতের বিষয় নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়

কলকাতা: সংঘর্ষ বিরতি ঘোষণার পর, এমনিতেই ভারতে বিরোধীদের নিশানায় ট্রাম্প। একাধিক ইস্যুতে উঠেছে প্রশ্ন। যখন সারাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশংসায় পঞ্চমুখ, ঠিক তখনই গোটা প্রত্যাঘাতের বিষয় নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূলের বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়।
সৌগত রায় বলেছেন, 'কোনও যুদ্ধই হয়নি। ব্যাপারটা প্রায় হাস্যকর হয়েছে। ড্রোন এদিক থেকে ওদিকে গিয়েছে। দু-একটা মিসাইল এদিক থেকে ওদিকে গিয়েছে। কোনও মেজর তফাৎ হয়নি। কোথায় জঙ্গিঘাটি ধ্বংস হয়েছে ? তার প্রমাণ কেন্দ্রীয় সরকার রাখুক না মানুষের সামনে।আমি তো দেখছি ছবিতে, ওই একটা দুটো মাসুদ আজাহারের যে জায়গা, পুরনো ভাঙা বাড়ি, একে জঙ্গিঘাটি ধ্বংস করা বলে ? পাকিস্তানের কোন অস্ত্র আমরা ধ্বংস করতে পেরেছি। সেই প্রমাণগুলি দিন না। নের্তৃত্ব তো কিছু দেখাতেই পারল না। পাকিস্তানের মতো দেশকে একটা শিক্ষা দেওয়া গেল না। '
প্রসঙ্গত, লাগাতার সংঘর্ষ থেমেছে। বন্ধ হয়েছে গোলা-গুলি। কিন্তু এখনও উপত্য়কায় পুরোপুরি কাটেনি উদ্বেগ। এখনও ঘরছাড়া জমমুর আরনিয়া সেক্টরের বহু গ্রামবাসী। আতঙ্ক যায়নি কাশ্মীরের সীমান্ত ঘেষা গ্রামগুলিতেও! নিয়ন্ত্রণ রেখা ও সীমান্তবর্তী এলাকায়, সকুল-কলেজগুলো এখনও বন্ধ রাখা হয়েছে। পাকিস্তান থেকে মুহূর্মুহু উড়ে এসেছে ড্রোন। শত্রুপক্ষের শেল গুঁড়িয়ে দিয়েছে একাধিক ঘরবাড়ি। বিনিদ্র রজনী যাপন করেছে জমমুর সাম্বা, আর এস পুরা, আখনুর, আরনিয়া। এখন সংঘর্ষ বিরতি। গোলা-গুলি থেমেছে কিন্তু এই নীরবতার মধ্য়েও লুকিয়ে রয়েছে উদ্বেগ। স্বস্তি ফেরেনি পাকিস্তান ঘেঁসা জম্মুর সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে।
ভারত-পাকিস্তান লড়াইয়ের সময় পরপর তিনটি গোলা এসে পড়ে গ্রামের ভিতরে।প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে রাতভর বাঙ্কারে কাটান গ্রামবাসীরা!সকাল হতেই গ্রাম ছাড়েন। অনেক বাড়িতেই তালা ঝুলছে। আর গোটা গ্রাম একপ্রকার বলা যেতে পারে মানুষশূন্য। ২-১ টি বাড়িতে বাসিন্দারা ফিরেছেন। কিন্তু যারা ফিরেছেন তারা ২-১ টি পশুপালন, চাষবাষের কারণে দিনের বেলা থাকেন আবার রাতের বেলা চলে যান। জম্মু-এর এক বাসিন্দা বলেন,' ভগবানের কৃপা যে আমাদের কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। বাইরেই পড়েছে। বড় বড় গোলা ওদিক থেকে এসেছে। এদিক থেকেও গেছে। পাকিস্তানের থেকে ফায়ারিং হচ্ছিল। লুকনোর জায়গায় ছিল না, আমরা এই বাঙ্কারে চলে গেছিলাম। একটা গোলা আমাদের বাড়ির পিছনের দিকে পড়েছিল। কাল সকালেই ফিরেছি।'






















