Jadavpur University Protest : 'হাই ব্লাড প্রেসার', হাসপাতালে যাদবপুরের অন্তর্বর্তী উপাচার্য, কী হবে ছাত্রদের 'ডেডলাইনের'?
গত কয়েকদিনে ভাস্কর গুপ্তের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।

শিবাশিস মৌলিক, সুকান্ত মুখোপাধ্যায়, কলকাতা : বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে ভাস্কর গুপ্তকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এই দাবিতে সারা রাত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন অরবিন্দ ভবনের সামনে ধর্নায় বসেছেন পড়ুয়াদের একাংশ। কথা বলতে হবে বিকেল চারটের মধ্যে, একেবারে ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা। আর তার মধ্যেই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে গিয়েছেন যাদবপুরের অন্তর্বর্তী উপাচার্য ভাস্কর গুপ্ত। গত কয়েকদিনে ভাস্কর গুপ্তের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে বলে দাবি পরিবারের।
গত শনিবারের ঘটনার পর তিনি অত্যন্ত টেনশনে রয়েছেন। তাঁর রক্তচাপ ওঠানামা করছে বলে জানিয়েছে তাঁর পরিবার। বুধবার তাঁর রক্তচাপ যথেষ্ট বেড়ে যায় বলে নিয়ে যাওয়া হয় বাইপাসের ধারে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানেই আপাতত চিকিৎসাধীন তিনি। একটি মেডিক্যাল বোর্ডও গঠন করা হবে বলে জানা গিয়েছে। নেতৃত্ব দেবেন চিকিৎসক অরিন্দম বিশ্বাস। তাঁর স্ত্রীও পেশায় চিকিৎসক। তিনি সকাল থেকে তাঁর শরীরের গতিবিধি ভাল বোঝেননি বলেই, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে আসেন।
অন্যদিকে, যাদবপুরে আন্দোলনকারী পড়ুয়ারাও দাবিতে অনড়। তাঁরা চান, প্রয়োজনে মেডিক্যাল সাপোর্ট নিয়ে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসুন বা কোনও মাধ্যমে কথা বলুন। আপাতত বিকেল ৪ টে পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন তাঁরা। তারপরই ঠিক করা হবে ভবিষ্যৎ আন্দোলনের রূপরেখা। পড়ুয়াদের চারদফা দাবি হল, বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে অন্তর্বর্তী উপাচার্যকে ভাস্কর গুপ্তকে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে হবে। এছাড়া শিক্ষামন্ত্রীর ব্রাত্য বসুর বিরুদ্ধে হিট অ্যান্ড রানের অভিযোগ দায়ের, অভিযুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানানো হয়েছে। তদন্ত কমিটি গড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করতে হবে। অবিলম্বে ছাত্র সংসদের নির্বাচন করানোরও দাবি জানানো হয়েছে পড়ুয়াদের তরফে। যাদবপুরের পড়ুয়াদের একাংশ জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী উপাচার্য প্রস্তাবে রাজি না হলে বৃহত্তর আন্দোলন শুরু হতে পারে।
অন্যদিকে আবার যাদবপুরের ঘটনায় তৃণমূল নেতা সৌগত রায় নিশানা করেছেন পুলিশকে। তাঁর মন্তব্য, ব্রাত্য বসুকে কেন বাঁচাতে পারল না পুলিশ, তা দেখা দরকার। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তৃণমূল সাংসদ। আক্রমণ করেছেন বামেদেরও। SFI যত বাড়াবাড়ি করবে, তত ওদের পার্টি অফিস বন্ধ করা হবে, কার্যত হুঁশিয়ারি দিয়েছেন সৌগত রায়।






















