Kakdwip: অথচ সরকার চুপ... কালী মূর্তি ভাঙা নিয়ে প্রশাসনকে আক্রমণ শমীকের, দোষীদের ছাড়া হবে না, দাবি পুলিশের
Kali Puja 2025: এর মধ্যে রাজনীতি টেনে আনতে চান না তৃণমূল নেতা, আইনজীবী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।

কাকদ্বীপ: কালীপুজোকে কেন্দ্র করে তুলকালাম কাকদ্বীপে (Kakdwip)। কাকদ্বীপের সূর্যনগরে একটি মন্দিরের কালীমূর্তি ভাঙা হয়েছে বলে অভিযোগ । মূর্তি ভাঙাকে কেন্দ্র করে এলাকায় বিক্ষোভ-পথ অবরোধ । রাস্তা অবরোধমুক্ত করতে পুলিশ মৃদু লাঠিচার্জ করেছে বলে খবর । অপরাধীদের খোঁজে চলছে তল্লাশি, দাবি করল রাজ্য পুলিশ । শেষ পর্যন্ত অশান্তি থামাতে ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রিজন ভ্যানে চাপিয়ে নিয়ে যাওয়া হল ভাঙা কালী মূর্তি ।
কালী মূর্তি ভাঙা নিয়ে আসরে বিজেপি । রাজ্য প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলছেন বিরোধীরা । বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ বিধানসভার সূর্যনগর গ্রামপঞ্চায়েতের নস্করপাড়ায় মা কালী মন্দিরে প্রতিমা ভাঙচুরের ঘটনায় গোটা এলাকা ক্ষোভে ফুঁসছে। ভোরবেলায় গ্রামের মানুষ দেখে, মা কালীর প্রতিমা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যে মন্দিরে বছরের পর বছর গ্রামের মানুষ পূজা দিয়েছে, আশ্রয় পেয়েছে, সেই মন্দির আজ অপবিত্র হয়েছে দুর্বৃত্তদের হাতে।’
এরপরই রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় তোলেন শমীক। লিখেছেন, ‘আরও লজ্জাজনক হল প্রশাসনের ভূমিকা। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রথমেই মন্দির বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। যেন অপরাধী ধরার থেকে অপরাধ ঢাকা দেওয়াই তাদের প্রধান কাজ। মানুষের প্রতিবাদের মুখে অবশেষে মন্দির খুলতে বাধ্য হয় প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত একটিও গ্রেফতার হয়নি। এই নীরবতা কি কাকতালীয়, নাকি তৃণমূল সরকারের নীরব প্রশ্রয়? প্রশ্ন তুলছে গোটা দক্ষিণ ২৪ পরগনা।’
তাঁর অভিযোগ, ‘হিন্দু মন্দিরে আঘাত হচ্ছে, প্রতিমা ভাঙা হচ্ছে, অথচ সরকার চুপ। এই রাজ্যে কি হিন্দুদের অনুভূতির কোনও মূল্য নেই? অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করা হোক। সঙ্গে প্রশাসনিক গাফিলতির তদন্ত হোক। তৃণমূল কংগ্রেস যতই ঢেকে রাখতে চাক, মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে — এই রাজ্যে হিন্দু নিরাপদ নয়, কারণ সরকার চোখ বুজে আছে।’
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে রাজ্য প্রশাসনকে বিঁধেছেন সুকান্ত মজুমদার। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস ও রাজ্যকে। শুভেন্দু বলেছেন, ‘হিন্দুস্তানে কেন অই জিনিস হবে। ঠাকুর তো ব্যক্তিগত আকাঙ্খা পূরণের জায়গা নয়। ঠাকুর তো সবার। আমরা সনাতন ধর্মে যারা বিশ্বার করি, নিজেদের ধর্মে বিশ্বাস রাখি ও অপর ধর্মকে সম্মান করি।’
তবে এর মধ্যে রাজনীতি টেনে আনতে চান না তৃণমূল নেতা, আইনজীবী বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘কালীমূর্তি ভাঙা মেনে নেওয়া যায় না। এটা করেছে দৃষ্কৃতীরা। পুলিশ ও প্রশাসন কড়া ব্যবস্থা নেবে। তবে বিজেপি যেভাবে এর সঙ্গে রাজনীতি মেলাচ্ছে, সেটা ঠিক নয়।’
Before You Go
Nadia Congress Leader Death | জেলে বসেই সপুত্র কংগ্রেস নেতাকে খুনের চক্রান্ত TMC নেতার?





















