NCPI ON 21 July: দিল্লিতে ২১ জুলাই পালন করবে NCPI, কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের দাবি জানিয়ে বার্তা কাকলির
Kakoli Ghosh Dastidar On NCPI On 21 July : দিল্লির রাজঘাটে ২১ জুলাই পালন করবে NCPI, বিবৃতি দিয়ে জানালেন এনসিপিআই মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার।

কলকাতা: দিল্লির রাজঘাটে ২১ জুলাই পালন করবে NCPI, বিবৃতি দিয়ে জানালেন এনসিপিআই মুখ্য সচেতক কাকলি ঘোষ দস্তিদার। '১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই শহিদদের শ্রদ্ধা জানাতে সভার আয়োজন NCPI-এর'। অবিলম্বে ২১ জুলাই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশের দাবি করেছেন কাকলি।
কেন মণীশ গুপ্তকে ক্যাবিনেট মন্ত্রী করা হয়েছিল? জনসমক্ষে তার ব্যাখ্যা ও ক্ষমাপ্রার্থনার দাবি করেছেন। বিগত তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে দাবি জানিয়েছেন তিনি। ২১ জুলাই গুলি চালানোর ঘটনায় নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন, এনসিপিআই মুখ্য সচেতক। সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেন, 'গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার জন্য সত্য ও ন্যায়বিচারের অন্বেষণ অপরিহার্য। রাজঘাটের প্রার্থনা সভায় দলের নেতা, কর্মী, সমর্থক ও নাগরিকরা উপস্থিত থাকবেন।'
২১ জুলাইয়ের শহিদদের ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এলেও বিচার দিতে ব্যর্থ হয়েছে পূর্বতন সরকার। এমনই অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেনদু অধিকারীকে চিঠি দিলেন বারাসাতের সাংসদ ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের সঙ্গী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। মামলাটি ফের শুরু করার আবেদন করেছেন তিনি। অন্যদিকে, তৃণমূলের সমস্ত পদ থেকে ইস্তফা দিয়ে গতকালই বাজেট নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুলেছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। তৃণমূলের শহিদ দিবস। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকেই তৃণমূলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। ফি বছর এই ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি থেকেই কর্মী-সমর্থকদের আগামীর দিশা দেখান নেত্রী। ভোটে ভরাডুবির পর তৃণমূল যখন ভেঙে খান খান হয়ে গেছে, তারপরও যে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি করতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার সেই ২১ জুলাই নিয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অস্বস্তিতে ফেললেন তাঁরই একসময়ের ছায়াসঙ্গী কাকলি ঘোষ দস্তিদার। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই নিহতদের পরিবারের ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি দিয়েছেন বারাসাতের সাংসদ।
যিনি ইতিমধ্যেই তৃণমূল ছেড়ে NCPI-এর সঙ্গে মিশে গেছেন। নিহতদের পরিবারের ন্যায়বিচার নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের ব্যর্থতা ও জোগসাজশের অভিযোগও তুলে কাকলি ঘোষ দস্তিদার লিখেছেন, ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবসের ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১১ সালে ক্ষমতায় আসা সত্ত্বেও, তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার তৎকালীন মন্ত্রী, আমলা এবং পুলিশ কর্তাদের বিচার করতে ব্যর্থ হয়েছে। চ্যাটার্জি কমিশন যৌথ ও সম্মিলিত দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছিল। তবুও তৎকালীন স্বরাষ্ট্রসচিব মণীশ গুপ্তকে কখনও গ্রেফতার বা তাঁর বিরুদ্ধে বিচার করা হয়নি। বরং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার তাঁকে ক্যাবিনেট মন্ত্রী করে এবং পরে রাজ্যসভার সাংসদ করে। জ্যোতি বসুর আমলের একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্তার এই পদোন্নতি যোগসাজশ এবং দোষীদের সুরক্ষার গুরুতর প্রশ্ন তুলে দেয়। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদার আর্জি জানিয়েছেন, মামলাটি পুনরায় চালু করার জন্য নির্দেশ দিন, জ্যোতি বসুর আমল থেকে চিহ্নিত সকল অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে যথাযথ অভিযোগ দায়ের করুন। সকল দোষী ও পদোন্নতি পাওয়া কর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। ফরেন্সিক পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিন, প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক সাহায্য নিন।






















