Kolkata Metro : কলকাতা মেট্রোর সুড়ঙ্গপথে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মৃতদেহ! দুই স্টেশনের মাঝ থেকে দেহ উদ্ধার গভীর রাতে
স্বাধীনতা দিবসের রাতে পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশন থেকে ১০০ মিটার দূরে মেট্রোলাইনের উপর থেকে মিলল এক মৃতদেহ।

ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী, কলকাতা : ২০২৩ সালের নভেম্বরের পর আবার কলকাতা মেট্রোর সুড়ঙ্গে মিলল অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের মৃতদেহ। স্বাধীনতা দিবসের রাতে পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশন থেকে ১০০ মিটার দূরে মেট্রোলাইনের উপর থেকে মিলল এক মৃতদেহ। এই ঘটনায় ফের প্রশ্নের মুখে মেট্রো রেলের নিরাপত্তা।
পুলিশ সূত্রে খবর, ১৫ অগাস্ট রাত ২.১৫ নাগাদ পার্ক স্ট্রিট ও ধর্মতলা মেট্রো স্টেশনের মাঝে সুড়ঙ্গ থেকে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের দেহ উদ্ধার করা হয়। পার্ক স্ট্রিট মেট্রো স্টেশন থেকে ১০০ মিটার দূরে সুড়ঙ্গে পড়েছিল দেহ। মৃতের বয়স আনুমানিক ২৫। RPF-এর হেল্পলাইন মারফত খবর পায় নিউ মার্কেট থানা। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।
সর্বত্র সিসিটিভির নজরদারি আর নিরাপত্তার বেষ্টনী থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই যুবক মেট্রোর সুড়ঙ্গে পৌঁছে গেলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। স্বাধীনতা দিবসের রাতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে মেট্রো স্টেশনগুলিতে বাড়তি নিরাপত্তা থাকে। সেখানে এমন ঘটল কীভাবে? প্রশ্ন উঠছে নজরদারি নিয়েই।
দেহ উদ্ধার হলেও এখনও জানা যায়নি, তিনি কে। মনে করা হচ্ছে, তিনি যদি রেলওয়ে কর্মী হতেন, তাহলে মেট্রো কর্তৃপক্ষ দেহ শনাক্ত করতে পারত। কিন্তু তা যদি না হয়, তাহলে বাইরের কেউ রাতে মেট্রো সুড়ঙ্গে ঢুকলেনই বা কী করে। আর আগেও যদি ঢুকে থাকেন, তাহলে তিনি কোথায় ছিলেন। মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হওয়ার পর তার গতিবিধি কেন ধরা পড়ল না সিসিটিভি ক্যামেরায়?
এর আগে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসে রবীন্দ্র সরোবর স্টেশন থেকে সাড়ে ৭০০ মিটার এবং টালিগঞ্জ স্টেশন থেকে এক কিলোমিটার দূরে ডাউন লাইনের ট্র্যাকের কাছাকাছি পড়েছিল ৩৫-৪০ বছরের এক ব্যক্তির দেহ। তদন্তের পর মেট্রো কর্তৃপক্ষ জানায়, সেদিন রাতে মেট্রো পরিষেবা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়। চুক্তিভিত্তিক কয়েকজন ঠিকা শ্রমিক কাজ করতে রবীন্দ্র সরোবর স্টেশন থেকে সুড়ঙ্গে নামেন। বাকিরা বেরিয়ে আসলেও, ওই ব্যক্তি মেট্রোর সুড়ঙ্গেই রয়ে যান। তবে মেট্রোর বিবৃতি সত্ত্বেও কিছু প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। যেমন, কীভাবে এবং কেন ওই ঠিকা কর্মী কাজ শেষের পরেও সুড়ঙ্গে থেকে গেলেন? কেন তা কেউ জানতে পারলেন না? তাঁর মৃত্যুই বা কীভাবে হল? আর আজ, ১৫ অগাস্টের ঘটনায় তো এটাই এখনও পরিষ্কার নয়, দেহ টি কার। তিনি সেখানে ঢুকে পড়লেনই বা কীভাবে?






















