Kolkata Fire Incident: আনন্দপুরে অগ্নিকাণ্ড, অবশেষে গ্রেফতার গোডাউন মালিক
Anandapur Fire News: আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিনের মাথায় গ্রেফতার গোডাউনের মালিক। গ্রেফতার ভস্মীভূত ২ গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাস। গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে।

হিন্দোল দে, কলকাতা : নাজিরাবাদ-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় গোডাউন মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানা। তাঁর বিরুদ্ধে মোট দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একটি পুলিশের তরফে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে। অন্যটি দমকলের তরফে করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, অগ্নিদগ্ধ দুটি গোডাউনের মালিকই এই গঙ্গাধর দাস। একটি তিনি নিজে ব্যবহার করতেন। আরেকটি ভাড়ায় দিয়েছিলেন WOW MOMO সংস্থাকে। অন্যদিকে, নাজিরাবাদের অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃত বেড়ে ১৬. ভস্মীভূত গোডাউন থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মোট ১৬টি দেহাংশ। ময়নাতদন্তের জন্য দেহ পাঠানো হয়েছে কাটাপুকুর মর্গে। এখও ধিকিধিকি আঁচ রয়েছে আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদের গোডাউনে। পকেট ফায়ার বোজানোর মরিয়া চেষ্টা করছে দমকল।
আনন্দপুর অগ্নিকাণ্ডের ৩ দিনের মাথায় গ্রেফতার গোডাউনের মালিক। গ্রেফতার ভস্মীভূত ২ গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাস। গঙ্গাধর দাসের বাড়ি পূর্ব মেদিনীপুরের খেজুরিতে। নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার গঙ্গাধর দাস। রবিবার ভোররাতে, আনুমানি ৩টে নাগাদ আগুন লেগেছিল আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদের ২টি গোডাউনে। একটি ডেকরেটার্সের গুদামে প্রথমে আগুন লাগে। এরপর তা ছড়িয়ে পড়ে পাশের মোমো তৈরির সংস্থার গুদামে। দুই গুদামে মজুত ছিল দাহ্য বস্তু। গ্যাস সিলিন্ডারও ছিল, যার বিস্ফোরণ হয়েছে। তার ফলে আগুন আরও দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছিল। এখনও গোডাউনের অনেক কর্মী নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর। আগুন পুরোপুরি নিভে গেলে তল্লাশি অভিযান চালাবে পুলিশ এবং দমকল বাহিনী। ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ড কেন ঘটল তা খতিয়ে দেখতে শুরু হয়েছে তদন্ত। ফরেন্সিক দল ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে।
জলাজমি ভরাট করে বেআইনি ভাবে চলছিল এইসব গোডাউন। দমকলের তরফে জানানো হয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা কিছু ছিল না। অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থাও সঠিক ভাবে ছিল না। দমকলের তরফে এও জানানো হয়েছে এফআইআর দায়ের করা হবে। আইন মেনে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। আগুনে পুড়ে বেঘোরে মারা গিয়েছেন ১৬ জন নিরীহ মানুষ। এদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। কীভাবে প্রশাসনের নজরের সামনেই এতদিন ধরে রমরমিয়ে এইসব গোডাউন বহাল তবিয়তে চলছিল, তাই নিয়েই উঠছে প্রচুর প্রশ্ন। মঙ্গলবার গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রথমে তিনি স্বীকার করতে চাননি যে তাঁর গোডাউনে আগুন লেগেছে। তাঁর দাবি ছিল প্রথমে মোমোর গোডাউনে আগুন লেগেছিল। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
























