Kolkata News: সাতসকালে কলকাতায় CBI হানা ! এবার কার বাড়িতে পৌঁছে গেলেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা ?
Kolkata Bank Fraud Case CBI Raid : সাতসকালে কলকাতায় CBI হানা। ১ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগে কলকাতায় চলছে CBI তল্লাশি।

কলকাতা : বিধানসভা ভোটের বছরে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশিতে নয়া সমীকরণ। আইপ্য়াকের অফিস এবং কর্ণধারের বাড়িতে ED-র তল্লাশি ঘিরে সম্প্রতি উত্তাল হয় রাজ্য রাজনীতি। আর এবার সাতসকালে কলকাতায় CBI হানা। ১ হাজার কোটি টাকার ব্যাঙ্ক প্রতারণার অভিযোগে কলকাতায় চলছে CBI তল্লাশি।
শ্রেয়ী নামে একটি সংস্থার কর্ণধার সুনীল কানোরিয়া, হেমন্ত কানোরিয়ার অফিসে তল্লাশি। আলিপুরে কানোরিয়াদের বাড়িতেও পৌঁছে গেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকেরা। CBI সূত্রে খবর, ইউকো ব্যাঙ্কের তরফে করা ১ হাজার কোটি টাকার প্রতারণা মামলায় চলছে তল্লাশি। দুই ঠিকানাতেই সুনীল কানোরিয়ার খোঁজ মেলেনি বলে দাবি CBI-এর।
হাইকোর্টে দেওয়া পিটিশনে, মুখ্য়মন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগ তুলেছিল ED। পাল্টা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দু দলই পথে! ফুটছে রাজনীতি!সম্প্রতি একে অপরের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্য়কর অভিযোগ তুলেছিল।কলকাতা থেকে দিল্লি। তেতে উঠেছে পরিস্থিতি। আদালতে দায়ের পিটিশনে মুখ্য়মন্ত্রীকে চোর বলে দাবি করছিল ইডি। ইডির বিরুদ্ধে এইআইআর করেছিলেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়!কিন্তু ইডির তল্লাশি চলাকালীন কী করে মুখ্য়মন্ত্রী ফাইল নিয়ে বেরিয়ে চলে গিয়েছিলেন সেই ধোঁয়াশা কিন্তু কোনওমতেই কাটছে না? ইডির তল্লাশি চলাকালীন আই প্য়াকের কর্ণধারের ফ্ল্য়াট ও অফিসে যাওয়া এবং ফাইল বের করে আনা নিয়ে প্রবল সমালোচনার মুখেও, নিজের অবস্থানকেই সমর্থন করেন মুখ্য়মন্ত্রী!
মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছিলেন, আমি যা করেছি, তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারম্য়ান হিসেবে করেছি এবং যা করেছি, আমি কোনও অন্যায় করিনি। তুমি আমায় খুন করতে এসেছ। আমার আত্মরক্ষা করার অধিকার আছে। পাল্টা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন,(শেখ) শাহজাহানকে যদি আমরা গুন্ডা বলি, পশ্চিমবাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে আমরা 'গুন্ডি' বলতেই পারি। মূলত, মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায় বলেছিলেন,গদ্দার অ্য়াডাপটেড সন হয়ে গেছে। গদ্দারের মাধ্য়মে টাকা দেয়। সঙ্গে রয়েছে এক জগন্নাথ। জগন্নাথের মাধ্য়মে টাকা যায় শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। শুভেন্দু মুখ্য়মন্ত্রীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে পাল্টা মুখ খুলেছিলেন রাজ্য় বিজেপির সহ সভাপতি জগন্নাথ চট্টোপাধ্য়ায়। জগন্নাথ চট্টোপাধ্য়ায় বলেছিলেন, মাননীয়ার কাছে বলতে চাই, আপনি চ্যালেঞ্জটা নেবেন নাকি? এই লালার ডায়েরির প্রতিটি পাতা ফাঁস করব। যে লক্ষ্মণরেখার কথা বলছেন, সেই লক্ষ্মণরেখা আপনি অতিক্রম করে যাচ্ছেন। ফলে আমাকেও কিন্তু এবার, আমার কাছে যা নথি আছে, তা প্রকাশ করতে হবে।
মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য়ের প্রেক্ষিতে আইনি নোটিস পাঠিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। X হ্যান্ডলে এই চিঠির ছবি পোস্ট করে তিনি লিখেছিলেন,ED-র তদন্ত থেকে জনসাধারণের দৃষ্টি ঘোরানোর মরিয়া প্রচেষ্টায়, আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মানহানিকর অভিযোগ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আমার আইনজীবীর মাধ্যমে আমি তাঁকে একটি আইনি নোটিস পাঠিয়েছি, যেখানে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর দাবির সপক্ষে প্রমাণ দিতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তিনি তা করতে ব্যর্থ হলে, আমি মানহানির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি আইনি অনুযায়ী পদক্ষেপ করব।






















