Kolkata News: ডায়েরিয়া ও বমি হচ্ছিল, "ভর্তি নিয়ে টালবাহানা...", শিশুমৃত্যু ঘিরে ধুন্ধুমার, খণ্ডযুদ্ধ বি সি রায় হাসপাতালে !
BC Roy Hospital Child Death Chaos: বি সি রায় শিশু হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে শিশুমৃত্যু ঘিরে ধুন্ধুমার, খণ্ডযুদ্ধ।

কলকাতা: শিক্ষাক্ষেত্র থেকে স্বাস্থ্য, সর্বত্র অভিযোগের আঙুল বারবার উঠে আসছে। অতীতেও একাধিক গুরুতর অপরাধের ঘটনায় নাম জড়িয়েছে রাজ্যের নামী হাসপাতালগুলোরই। এবার বি সি রায় শিশু হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে শিশুমৃত্যু ঘিরে ধুন্ধুমার, খণ্ডযুদ্ধ।
আরও পড়ুন, SIR-র জন্য নির্বাচন কমিশনকে কর্মী দিতে প্রস্তুত রাজ্য সরকার
গতকাল রাতে নিয়ে বি সি রায় হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল দেড় বছরের শিশুকে। ডায়েরিয়া ও বমি হচ্ছিল দেড় বছরের শিশুর। কাল ভর্তি না নিয়ে ছেড়ে দেয় হাসপাতাল, দাবি পরিবারের। আজ অবস্থার অবনতি হওয়ায় ফের বি সি রায় শিশু হাসপাতালে নিয়ে আসে শিশুকে। ভর্তি নিয়ে টালবাহানার জেরে মৃত্যু, অভিযোগ পরিবারের।
অতীতে রোগী মৃত্যু ঘিরে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে । চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছিল। ঘটনায় আহত হয়েছিলেন এক পুলিশকর্মী সহ ২ স্বাস্থ্যকর্মী।রোগীর পরিজনদের অভিযোগ ছিল, তাঁরা রোগীকে নিয়ে হাসপাতালে এলেও কোনওরকম চিকিৎসা করা হয়নি। যার দরুণ মৃত্যু হয়েছিল ওই রোগীর। ছত্রিশ বছর বয়সী রঞ্জনা সাউ শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে কামারটি সাগর দত্ত হাসপাতালে পৌঁছেছিলেন। অভিযোগ তারপর আর কোনওরকম চিকিৎসা হয়নি। শারীরিক অবস্থা যখন আশঙ্কাজনক হয়, তখন স্বাস্থ্যকর্মী অক্সিজেন দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা সফল হয়নি।
অন্যদিকে আক্রান্ত হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের অভিযোগ, রোগীর মৃত্যুর পরেই রোগীর পরিজনেরা চিকিৎসকদের সঙ্গে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন। চিকিৎসকদের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে তাঁরা এগিয়ে গেলে তাঁরা আহতও হয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন এক পুলিশকর্মীও । যদিও চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ অস্বীকার করেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গত বছর চিকিৎসার গাফিলতিতে রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল হাওড়া জেলায়। হাওড়ার বাঁকড়ায় নার্সিংহোমে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছিল মৃতের আত্মীয়-পরিজনদের বিরুদ্ধে। পরিবারের দাবি, পেটে যন্ত্রণা নিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন বাঁকড়ার মুন্সিডাঙার বাসিন্দা। চিকিৎসক ইঞ্জেকশন দেওয়ার পর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। এরপর রাত ১২টা নাগাদ মৃত্যু হয় ওই বধূর।
ত্যুর খবর চাউর হতে এলাকার বাসিন্দারা ভিড় জমিয়েছিলেন ওই নার্সিংহোমে। তাঁরা ভাঙচুর চালিয়েছিল বলে অভিযোগ। অভিযোগ, টেবিল, চেয়ার, আসবাবপত্র, সিসিটিভির এবং চিকিৎসার যন্ত্রপাতি কোনও কিছুই বাদ যায়নি বাসিন্দাদের ক্ষোভের আঁচ থেকে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছিল বাঁকড়া ফাঁড়ির পুলিশ এবং রাফ। পুলিশ কর্মীরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে সেবার।























