Bengal SIR: SIR-র জন্য নির্বাচন কমিশনকে কর্মী দিতে প্রস্তুত রাজ্য সরকার
State Govt On EC: ৮৫০৫ জন গ্রুপ বি অফিসার দিতে প্রস্তুত রাজ্য।

কলকাতা: চূড়ান্ত খসড়া তালিকা প্রকাশের আগে, একাধিক ইস্যু সামনে এসেছে। সূত্রের খবর, এসআইআরের জন্য নির্বাচন কমিশনকে কর্মী দিতে প্রস্তুত রাজ্য সরকার। ৮৫০৫ জন গ্রুপ বি অফিসার দিতে প্রস্তুত রাজ্য।
আরও পড়ুন, এবার কি টিকিট পাচ্ছেন না মদন মিত্র? ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য কামারহাটির TMC বিধায়কের !
৪ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে কমিশন জানায় এসআইআরের জন্য কর্মী দিচ্ছে না রাজ্য। এসআইআরের জন্য শুধুমাত্র ৮০ জন গ্রেড টু অফিসার দিয়েছে রাজ্য, সুপ্রিম কোর্টে জানায় নির্বাচন কমিশন। কাল সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি এন ভি অঞ্জরিয়ার বেঞ্চে এসআইআর শুনানি। কাল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলারও শুনানি।
SIR মামলায় বুধবার সুপ্রিম কোর্টে এই দৃশ্য দেখেছে পশ্চিমবঙ্গ-সহ গোটা দেশ!দেশের ইতিহাসে প্রথমবার সর্বোচ্চ আদালতে দাঁড়িয়ে সওয়াল করেছেন কোনও মুখ্যমন্ত্রী!আদালতে দাঁড়িয়ে নিজের করা মামলায় নিজেই সওয়াল করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাজিয়েছেন যুক্তির জাল। এই পরিস্থিতিতে সোমবার দুপুর দুটোয় ফের SIR মামলার শুনানি রয়েছে, প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি N V আঞ্জারিয়ার বেঞ্চে। তার আগে রাজ্য রাজনীতিতে চাপানউতোর তুঙ্গে উঠেছে!
শুভেন্দু অধিকারী বলেন,ভাল করে খোঁজ নিয়ে নিন, কালকে সম্ভবত উনি যাচ্ছেন না। আর যদি যান, কানে যেন তুলো দিয়ে যান। কারণ ওনাকে চোর চোর স্লোগান শুনতে হতে পারে। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,পশ্চিমবাংলায় যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেস মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এটাকে নিয়ে ঝাপিয়ে পড়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে মামলা করছেন, এই জন্য আজকে এত পরিবর্তনগুলো হচ্ছে। না হলে ইলেকশন কমিশন রোলার চালাত। ওরা ভেবেছিল এটাকে রোলার চালিয়ে উড়িয়ে দেব। বিজেপির হাতে তুলে দেব। সেটা করতে পারেনি।
অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করা নিয়ে সিপিএমের অন্দরেই ধরা পড়েছে ভিন্ন সুর!ত্রিপুরা সিপিএম নেতা ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার বলেন, ভালই তো। তিনি গেছেন। মূল সমস্যাগুলো ৬-৭টা পয়েন্টে তিনি তুলে ধরেছেন। যদিও শ্রীমতী ব্যানার্জি দেরি করে ফেলেছেন। আরও আগে তার যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দেরি হলেও প্রতিবাদটা যেভাবে করার চেষ্টা করেছেন, কোর্টে যেভাবে গেছেন, সেটাকে আমি খাটো করে দেখতে চাইছি না। সিপিএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী বলেন, দুর্ভাগ্য মুখ্যমন্ত্রী সব লোক দেখানোর মতো করে শুনানি শেষের ৩ দিন আগে গেলেন কোর্টে। তার আগে কিন্তু তাঁর মনে পড়েনি। এটা কার স্বার্থ রক্ষা করবে, তৃণমূলের না বিজেপির?























