Kolkata News: পয়লা বৈশাখের রাতে বেরিয়ে আর ফেরা হল না বাড়ি, যুবকের মৃত্যুতে রহস্য
পয়লা বৈশাখের রাতে পাটুলিতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। নিহতের নাম টোটন আইচ, পেশায় অটো চালক। পরিবারের দাবি, পয়লা বৈশাখের রাতে বন্ধুদের সঙ্গে খাওয়ার কথা বলে বাড়ি বেরিয়েছিলেন টোটন।

ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, কলকাতা: খাস কলকাতায় (Kolkata News) এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ। পরিবার সূত্রে খবর, গত ১৫ এপ্রিল বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়েছিলেন। এরপর গতকাল বুধবার তাঁর মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরিবারের অভিযোগ, ওই যুবককে খুন করা হয়েছে।
পিটিয়ে খুনের অভিযোগ: পয়লা বৈশাখের রাতে পাটুলিতে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। নিহতের নাম টোটন আইচ, পেশায় অটো চালক। পরিবারের দাবি, পয়লা বৈশাখের রাতে বন্ধুদের সঙ্গে খাওয়ার কথা বলে বাড়ি বেরিয়েছিলেন টোটন। গতকাল সকালে বাড়ি থেকে কয়েকশো মিটার দূরে তাঁকে পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের দাবি, পয়লা বৈশাখের দিন বাঘাযতীন এলাকায় স্থানীয় কয়েকজনের সঙ্গে টোটন ও তাঁর দুই বন্ধুর বচসা বাধে। তার জেরে হাতাহাতি, মারামারি হয়। বেধড়ক পেটানোয় টোটনের মৃত্যু হয় বলে পরিবারের দাবি। যাদবপুর থানায় খুনের অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযুক্তরা অধরা।
এর আগে গত মাসে পিটিয়ে খুন করা হয় এক অ্যাপ ক্যাব চালককে। পার্কিং করতে গিয়ে স্কুটারে ধাক্কা লাগার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটি , বচসা থেকে মারধর, প্রাণ কেড়ে যায় এক অ্যাপ ক্যাব চালকের। ঘটনাটি ঘটে দক্ষিণ কলকাতার বিজয়গড়ে। গাড়ি রাখার সময় স্কুটারে সামান্য ধাক্কা লাগে। অভিযোগ, তাতেই আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে এলাকার ৫ যুবক। গাড়ি চালকের সঙ্গে একপ্রস্থ অশান্তি, বচসা হয়। সেখানেই শেষ নয়। পরে তাঁকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে অ্যাপ ক্যাব চালককে বেধড়ক মারধর করা হয়। এমন ভাবে মারা হয়, গুরুতর জখম হন ক্যাব চালক। মৃতের নাম জয়ন্ত সেন। বাড়িতে ছোট বাচ্চা। রয়েছেন স্ত্রী, বাবা, মা , ভাইও। ক্যাব চালিয়েই চলত সংসার। জয়ন্তর মর্মান্তিক মৃত্যুতে অথৈ জলে পড়েছে পুরো পরিবার। পাড়ায় এমন ঘটনা ঘটায় আতঙ্কে এলাকার মানুষও। শুধুমাত্র গাড়ি রাখাকে কেন্দ্র করে কথাকাটাকাটির জন্য একজনকে এভাবে মারা হতে পারে, কল্পনাও করতে পারছেন না কেউই। গুরুতর জখম ক্যাব চালককে যাদবপুরের KPC হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ৮ মার্চ ভোরে সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ৫ জনের বিরুদ্ধে যাদবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। অনিচ্ছাকৃত খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ।






















