Kolkata Fire News: হরিদেবপুরের বহুতল আবাসনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের একাধিক ইঞ্জিন
Kolkata News: ডায়মন্ড সিটি সাউথ আবাসনের ২ নম্বর টাওয়ারের ৬ তলায় আগুন লেগেছে বলে খবর।

অরিত্রিক ভট্টাচার্য, কলকাতা : শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। হরিদেবপুরের একটি বহুতল আবাসনে আগুন লেগেছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলের ৫টি ইঞ্জিন। ডায়মন্ড সিটি সাউথ আবাসনের ২ নম্বর টাওয়ারের ৬ তলায় আগুন লেগেছে বলে খবর। আতঙ্কে নীচে নেমে এসেছেন আবাসিকরা। আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছে দমকলবাহিনী। গলগল করে কালো ধোঁয়া বেরোতে দেখা যায় আবাসনের ২ নম্বরের টাওয়ারের ৬ তলা থেকে। অনেকগুলি ব্লক রয়েছে এই আবাসনে। যে টাওয়ারে আগুন লেগেছে, সেখানে কালো দাগ পড়ে গিয়েছে।
ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্টের প্রতিনিধিরা আসেন ঘটনাস্থলে। আসেন সিইএসসি- র কর্মীরাও। আবাসনের যে টাওয়ারে আগুন লেগেছে সেখানে বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করা হয়েছিল। দমকলের ৪টি ইঞ্জিন কাজ করেছে বলে খবর। যে নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটটিতে আগুন লেগেছিল তার অনেকটাই ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। আগুন লাগার সময় ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা বাইরে থাকায় কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে এভাবে হঠাৎ আগুন লাগায় আশপাশের ফ্ল্যাটের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্কের সঞ্চার হয়। দ্রুত নিজেদের ফ্ল্যাট ছেড়ে নীচে নেমে আসেন তাঁরা। দমকল সূত্রে খবর, আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে।
প্রাথমিক ভাবে অনুমান, যে ফ্ল্যাটে আগুন লেগেছে, সেখানকার বাসিন্দারা বাইরে থাকলেও, সম্ভবত ঘরে কোনও প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালিয়ে রেখে গিয়েছিলেন। তার থেকেই আগুন লেগেছে বলে অনুমান। তবে শর্ট সার্কিট জাতীয় কোনও ঘটনা ঘটেছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘণ্টা দুয়েকের চেষ্টায় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। আর আগুন ছড়িয়ে পড়ার কিংবা আরও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই বলেই খবর দমকল সূত্রে। এখনও ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলবাহিনী। অনেকটাই ভস্মীভূত হয়ে যাওয়া ওই ফ্ল্যাটে কাজ করছেন দমকলকর্মীরা।
এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, আর কোনও ফ্ল্যাটে ক্ষতি হয়নি। অনেকটা উঁচুতে ফ্ল্যাট থাকায় দমকল আসার আগে আবাসিকরা চেষ্টা করেও জল পৌঁছে দিতে পারেননি। তবে দমকলকে খবর দেওয়ার পর তারা ঘটনাস্থলে এসে কাজ শুরু করে দিয়েছিল। ওই প্রত্যক্ষদর্শী এও জানিয়েছেন, ছুটির দিন রবিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ তাঁরা বুঝতে পারেন যে ২ নম্বর টাওয়ারের ৬ তলার একটি ফ্ল্যাটে আগুন লেগেছে। সেই সময় ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা নীচে মন্দিরে পুজো দিতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন ওই প্রত্যক্ষদর্শী। সম্ভবত ফ্ল্যাটের যে অংশে ঠাকুর থাকে সেখানে কোনও প্রদীপ বা মোমবাতি জ্বালিয়ে এসেছিলেন বাসিন্দারা, আর সেখান থেকেই আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।























