TMC Councillor arrested: এই প্রথম নয়, অতীতেও দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছিল বেহালার ধৃত তৃণমূল কাউন্সিলার সুদীপ পোল্লের বিরুদ্ধে
Trinamool Congress: এই প্রথম কলকাতায় কোনও তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হল।

কলকাতা: তোলাবাজির অভিযোগে কলকাতায় গ্রেফতার ১৬নং বরোর চেয়ারম্যান। জালে ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল (Trinamool Congress) কাউন্সিলর সুদীপ পোল্লে। ঠাকুরপুকুর থানায় তোলাবাজির মামলায় জালে। এর আগে একাধিক তৃণমূল নেতা গ্রেফতার হয়েছিলেন, তবে এই প্রথম কলকাতায় কোনও তৃণমূল কাউন্সিলরকে গ্রেফতার (TMC Councillor arrested) করা হল। তবে এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার বিতর্কে জড়িয়েছেন সুদীপ পোল্লে।
গীর্জার অধীনস্থ নার্সিং কলেজে দাদাগিরির অভিযোগ উঠেছিল এই তৃণমূল কাউন্সিলারের বিরুদ্ধে। ২০২৪ সালে বেহালার ডায়মন্ড হারবার রোডে ডায়োসিস অফ ক্যালকাটার আওতাধীন সিস্টার ফ্লোরেন্স কলেজ অফ নার্সিং নামে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ শুরু হয়েছিল। ডায়োসিস অফ ক্যালকাটার অভিযোগ সেই কাজে বাধা দেন সুদীপ পোল্লে এবং তাঁর দলবল।
রাঘব নায়েক, প্রপার্টি সেক্রেটারি, রিপেয়ারিং করার সময় ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তাঁর লোক পাঠিয়ে কাজে বাধা দিচ্ছেন। তিনি নিজে আসছেন না, কিন্তু তাঁর লোকজন এসে বলছে এখানে কাজ করতে হবে না, আপনার অথরিটিকে বলুন আমার কাছে (কাউন্সিলর) এসে, আমার সঙ্গে কথা বলতে।
অক্সফোর্ড মিশন মাঠে স্থানীয় লোকজন দীর্ঘদিন যাতায়াত করত, সকাল, সন্ধে হাঁটাহাঁটি করত। সেটা কোভিডের পরে বন্ধ হয়েছে, কড়াকড়ি করে আমাদের বিশপ মহাশয় সেটা বন্ধ করে দিয়েছেন। সেটা যদি না খোলে, তাহলে তাঁকে সরিয়ে আমি অক্সফোর্ড মিশনের সেই মাঠটাকে দখল করব।
বিধানসভা নির্বাচনের আগেই বেহালায় বিজেপির একটি মঞ্চে ভাঙা হয় যেখানে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব বক্তব্য রাখার জন্য উপস্থিত হয়েছিলেন। সেখানেও মঞ্চে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয় এবং সুদীপ পোল্লের উপস্থিতিতেই ভাঙচুর করার অভিযোগ উঠেছিল। ২০১০ থেকে কিন্তু এই সুদীপ পোল্লে তৃণমূলের কাউন্সিলর ছিলেন, সেখান থেকেই হন ১৬ নম্বর বরো চেয়ারম্যান। একদা খবরের কাগজ বিক্রেতা এই সুদীপই সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হয়ে উঠেছিলেন বেহালা সংলগ্ন এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা।
আরও পড়ুন:- পালাবদলের পর খুলেছে 'মেসি ফাইলস', ফের শতদ্রুর নিশানায় প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ
জানা গিয়েছে, এক ব্যবসায়ী ধৃত সুদীপ পোল্লের নামে অভিযোগ দায়ের করেন যে, তিনি ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মাঝে মাঝেই তোলা চাইতেন। এর আগেও নাকি কলকাতা পুরসভার ১৬ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান ওই ব্যবসায়ীর কাছ থেকে একাধিকবার টাকা চেয়েছিলেন। আর সেই টাকাও নাকি দিয়েছিলেন ওই ব্যবসায়ী।
ওই ব্যবসায়ী আরও অভিযোগ জানান, কিছুদিন তাঁর থেকে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা চাওয়া হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যবসায়ীকে নাকি হুমকি দেওয়া হয় এই টাকা না দিলে তাঁকে ব্যবসা করত দেওয়া হবে না। দোকানও ভেঙে দেওয়া হবে। আর এর পরই ঠাকুরপুকুর থানায় গিয়ে অভিযোগ করেন ওই ব্যবসায়ী। পুলিশ সূত্রে খবর, এরপরই ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে FIR করা হয় এবং সেই নিরিখেই তাঁকে গ্রেফতারও করা হল।






















